Malda: বিচারাধীন বন্দির মৃত্যু, মালদহে থানার সামনে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি

Undertrial prisoner death: বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়। তিনি মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে তাতে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মৃতের পরিবারের লোকজন থানা প্রাঙ্গণে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি বেধে যায়।

Malda: বিচারাধীন বন্দির মৃত্যু, মালদহে থানার সামনে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি
থানার সামনে চলছে বিক্ষোভImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 15, 2026 | 6:23 AM

মালদহ: বিচারাধীন এক বন্দীর মৃত্যুকে ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল মালদহের রতুয়া থানা চত্বরে। শনিবার রাতে থানার সামনে মৃতদেহ রেখে থানায় ঢুকে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন মৃতের পরিবারবর্গ সহ আত্মীয় পরিজনরা। বিক্ষোভ দেখানোর সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের সঙ্গেও রীতিমতো বচসা, ধাক্কাধাক্কি জড়িয়ে পড়েন। থানার সামনে পথ অবরোধ করেও তাঁরা তুমুল বিক্ষোভ দেখান। যার জেরে চরম উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও শেষমেশ পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনার সূত্রপাত্র হয় এক বিচারাধীন বন্দীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। জানা গিয়েছে, মৃত বন্দির নাম ভোলা মণ্ডল (৫৫)। তাঁর বাড়ি রতুয়া থানার ভাদো গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।গত ৯ ফেব্রুয়ারি রতুয়ার ভাদো এলাকায় সেতাবুদ্দিন নামে এক ব্যবসায়ীকে আমবাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ভাদো এলাকার ভোলা মণ্ডল সহ আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে। প্রথমে ভোলা মণ্ডলকে চাঁচল সংশোধনাগারে রাখা হয়। পরে মালদহ জেলা সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১১ মার্চ দুপুরে হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে থাকেন ভোলা মণ্ডল। তড়িঘড়ি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ তাঁকে মালদহ মেডিক্যল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে পুলিশ হেফাজতে রেখে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলে শনিবার রাতে ভোলা মণ্ডলের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরা রতুয়া থানার সামনে এসে পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মৃতদেহ থানার সামনে রেখে প্রতিবাদে সামিল হন তাঁরা।

বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়। তিনি মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে তাতে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মৃতের পরিবারের লোকজন থানা প্রাঙ্গণে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি বেধে যায়। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিক্ষোভকারীরা রতুয়া থানার সামনে ১৩১ এ জাতীয় সড়কে বসে পড়েন এবং অবরোধ শুরু করেন। এর ফলে জাতীয় সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরে তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এরপর মৃতের পরিবারের সদস্যরা থানার সামনে থেকে মৃতদেহ নিয়ে চলে যান। যদিও এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Follow Us