
মালদহ: রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেনের ছবি দেওয়া পোস্টার ছিঁড়ে দিচ্ছে আরপিএফ। এমনই ছবি সামনে এল মালদহে। স্টেশনের আশপাশে দেওয়ালে লাগানো ছিল তাজুলের ছবি। সেগুলোই টেনে সরিয়ে দিয়েছে আরপিএফ। অস্বস্তিতে তৃণমূলকর্মীরাও। কৃতিত্বের দড়ি টানাটানি নিয়েই সমস্যা বলে জানা যাচ্ছে।
ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর কৃতিত্ব জোর করে নিতে গিয়েছিলেন বিধায়ক? প্রশ্ন উঠেছে। যদিও তাজমুল হোসেনের দাবি, তিনিই রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সব ব্যবস্থা করেছেন। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশনে কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার ব্যবস্থা করার কৃতিত্ব কার, তা নিয়েই এই তরজা।
কৃতিত্বের দাবি করে তৃণমূলের মন্ত্রী তাজমুল হোসেনের ছবি পোস্টারে স্টেশন চত্বর ঢেকে দিয়েছিলেন তৃণমূলকর্মীরা। সেই পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে দিল আরপিএফ। আজ শনিবার থেকে হরিশ্চন্দ্রপুরে কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া শুরু হয়েছে। রেলের অনুষ্ঠানও ছিল এদিন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। আমন্ত্রিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন।
আমন্ত্রণ পেয়েই কর্মীদের উৎসাহ চরমে পৌঁছয়। হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশন জুড়ে তাজমুলের পোস্টার ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শুরু হতেই সব ছিঁড়ে ফেলে দেয় আরপিএফ। খগেন মুর্মুর দাবি, তিনি নাকি রেল মন্ত্রকে এই দাবি তুলেছিলেন যে উত্তর মালদহে একাধিক স্টেশনে চারটি ট্রেনের স্টপেজ দিতে হবে। তারপরই হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশনে কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেনের স্টপেজ পায়! তবে ভোটমুখী বাংলায় এই নিয়েই এখন বিজেপি তৃণমূল তরজা তুঙ্গে !
হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তাজমুল হোসেনকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “খগেন মুর্মু সাংসদ হতে পারেন, কিন্তু আমরাই স্টপেজের জন্য জিআরএমের কাছে গিয়েছিলাম। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের স্টপেজ নিয়ে সমস্যা ছিল, সেটা সমাধান করা হয়েছে। আরও অনের দাবি ছিল, সেগুলো জিআরএম-কে জানিয়ে এসেছি।”