Abhishek Banerjee: ‘আমায় বিধবা হওয়ার হাত থেকে বাঁচান’, অভিষেকের কাছে আর্জি মহিলার, তারপরই ঘটল ‘অবাক’ ঘটনা

Malda: গতকাল অভিষেক বক্তব্য রাখছিলেন। সেই সময় মঞ্চের ধারে এক মহিলা কাঁদতে কাঁদতে এসে তাঁকে বলেন, "আমাকে বিধবা হওয়ার হাত থেকে বাঁচান।" তৃণমূলেরই একদল নেতাদের নাম করে অভিযোগ জানান। সাদা কাগজে খাম বন্দি অভিযোগপত্রো তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। গৃহবধূর নাম তৌহিদা রহমান।

Abhishek Banerjee: আমায় বিধবা হওয়ার হাত থেকে বাঁচান, অভিষেকের কাছে আর্জি মহিলার, তারপরই ঘটল অবাক ঘটনা
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 09, 2026 | 2:25 PM

মালদহ: বৃহস্পতিবার মালদহে সভা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই সভাতে এলাকার তৃণমূল নেতার হাতে আক্রান্ত এক শিক্ষকের স্ত্রী কাঁদতে-কাঁদতে গিয়ে নালিশ করলেন অভিষেককে। আর তারপরই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতার। অবাক কাণ্ড এতদিন যিনি পুলিশের দ্বারস্থ হননি, অভিষেককে নালিশ করতেই সোজা থানায় তিনি। তবে বিজেপি বলছে, মুখ বাঁচাতে নাটক করছে তৃণমূল। আর অভিযুক্তের দাদার হয়ে সাফাই, দলের সম্মান রক্ষার্থে এই সিদ্ধান্ত।

গতকাল অভিষেক বক্তব্য রাখছিলেন। সেই সময় মঞ্চের ধারে এক মহিলা কাঁদতে কাঁদতে এসে তাঁকে বলেন, “আমাকে বিধবা হওয়ার হাত থেকে বাঁচান।” তৃণমূলেরই একদল নেতাদের নাম করে অভিযোগ জানান। সাদা কাগজে খাম বন্দি অভিযোগপত্রো তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। গৃহবধূর নাম তৌহিদা রহমান। বাড়ি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বালা পাথার এলাকায়। তাঁর স্বামী হেফজুর রহমান তালগাছি সিনিয়র মাদ্রাসার টিআইসি।

মহিলার অভিযোগ, সম্প্রতি তাঁর স্বামীকে ঘরবন্দী করে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে হরিশ্চন্দ্রপুর দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি মণিরুল ইসলামের দাদা স্থানীয় তৃণমূল নেতা আনারুল আলম এবং তার দলবল। তাঁঁর স্বামীকে নতুন করে টিআইসি করা হয় এই মাদ্রাসার। সেই আক্রোশেই তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশে অভিযোগ জানিও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতীরা অধরা ছিল। তাই সশরীরে আক্রান্ত শিক্ষকের স্ত্রী অভিষেকের  সভায় হাজির হয়ে মন্ত্রীর তাজমুল হোসেনের গড়ে তার দলেরই ব্লক সভাপতি দাদার বিরুদ্ধে এই নালিশ করেন। অথচ এই বিষয় কিছুই জানেন না বলে এড়িয়ে যান মন্ত্রী তাজমুল হোসেন।

যদিও হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নং ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি মণিরুল ইসলাম বলেন, “যাতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট নয় তাই সঙ্গে-সঙ্গে আত্মসমর্পণ করতে করেছে।” তবে বিজেপি বলেছে, “ওই শিক্ষক দুর্নীতিগ্রস্ত। কে বা কারা দোষী সেটা এলাকার মানুষ জানে। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ সমস্তটাই মুখ বাঁচাতে নাটক।”