Minakhan: মিড ডে মিলই দেওয়া হয় না, ২৫০ থেকে ছাত্র কমে ২৫
Minakhan: গ্রামবাসীরাই জানাচ্ছেন, এই স্কুলটি এক সময় রম রোমিয়ে চলত। প্রায় আড়াইশো ছাত্রছাত্রী ছিল। ৬ জন শিক্ষকও ছিল । প্রথম দিকে মিড ডে মিল রান্না হত । ছাত্র-ছাত্রীদের মিড ডে মিলে রান্না খাবার দেওয়া হত। এরপর আস্তে আস্তে মিড মিলের রান্না বন্ধ হয়ে গেল বলে অভিযোগ ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ছাত্র ছাত্রী নেই স্কুলে, তাই অধিকাংশ দিন স্কুল বন্ধ থাকার অভিযোগ। অভিভাবকদের আরও অভিযোগ, স্কুলে মিড ডে মিলই খেতে দেওয়া হয় না ছাত্র-ছাত্রীদের। তাই ছাত্র-ছাত্রীরা অন্য স্কুলে গিয়ে ভর্তি হয়েছে। সেই কারণে এই স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী নেই বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। মিনাখাঁর বগরহুলা এমএসকে স্কুলের ঘটনা । যদিও ঘটনার কথা অস্বীকার করেন প্রধান শিক্ষক।
গ্রামবাসীরাই জানাচ্ছেন, এই স্কুলটি এক সময় রম রোমিয়ে চলত। প্রায় আড়াইশো ছাত্রছাত্রী ছিল। ৬ জন শিক্ষকও ছিল । প্রথম দিকে মিড ডে মিল রান্না হত । ছাত্র-ছাত্রীদের মিড ডে মিলে রান্না খাবার দেওয়া হত। এরপর আস্তে আস্তে মিড মিলের রান্না বন্ধ হয়ে গেল বলে অভিযোগ । আর তাই প্রত্যন্ত গ্রামের অধিকাংশ কৃষক পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীরা এই স্কুল ছেড়ে অন্য স্কুলে ভর্তি হতে লাগল। আর একে একে এই স্কুল ছেড়ে সবাই গেল।
এখন এই স্কুলে দুজন শিক্ষক রয়েছেন। কিন্তু তাঁরা মাঝে মাঝে যান স্কুলে, ঘণ্টাখানেক থাকেন আবার চলে যান । অধিকাংশ দিন বন্ধ থাকে স্কুল। এলাকার মানুষের দাবি, এই স্কুলটা পুনরায় ভালভাবে চালু হোক। এবং আরও শিক্ষক নিয়োগ হোক, মিড ডে মিল চালু হোক, তাহলে আবার ছাত্র-ছাত্রীরা এই স্কুলে ভর্তি হবে।
এই বিষয়ে স্কুলের টিচার ইনচার্জ শক্তিপদ মন্ডল বলেন, “যারা বলছেন, তাঁরা নিন্দুক , স্কুলে এখন ৫০ জনের মতো ছাত্র আছে। ২৫-২৬ জন স্কুলে যান , মিড ডে মিল রান্না হয় । এবং প্রতিদিনই স্কুলে শিক্ষকরা উপস্থিত থাকেন।”
