Primary Health Centre: মোবাইলের আলোতে রোগীকে ইনজেকশন, এ কী হাল সরকারি হাসপাতালের?
Hospital: এক রোগীর আত্মীয় অরুণ মণ্ডল বলেন, "সন্ধ্যাবেলা রোগী নিয়ে আসি। তখন থেকেই কারেন্ট নেই। বলছে এই খারাপ ওই খারাপ। রোগীদের কী দুর্ভোগ ভাবুন। ইনজেকশন দিল মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে। খুব সমস্যা হচ্ছে। রোগীরা কীভাবে অন্ধকারে থাকবে?"

মুর্শিদাবাদ: হাসপাতাল বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন সকাল থেকেই। সন্ধ্যা গড়ালেও ফেরেনি হাল। মোমবাতি আর মোবাইলের আলোতে চলছে পরিষেবাপ্রদান। ফরাক্কার বেনিয়াগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রবিবার এই ছবিই দেখা গেল। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনওরকম আলো না থাকায় মোমবাতি জ্বালিয়ে চিকিৎসা চলছে রোগীদের। ইনজেকশন দিতে ভরসা রাখতে হচ্ছে মোবাইলের আলোয়। রবিবার রাত সাড়ে আটটা অবধিও এই অবস্থাই ছিল। ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এ হাল প্রশ্ন তুলছে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে।
এদিন হাসপাতালে আসা রোগীদের পরিবারের অভিযোগ, সকাল থেকেই পুরো হাসপাতাল চত্বরে কারেন্ট নেই। দিনে ততটা সমস্য়া হয়নি। কিন্তু রাতেও এই অবস্থা। এদিকে হাসপাতালে ইনভার্টার আছে। তবে সেটাও বিকল হয়েছে।
এক রোগীর আত্মীয় অরুণ মণ্ডল বলেন, “সন্ধ্যাবেলা রোগী নিয়ে আসি। তখন থেকেই কারেন্ট নেই। বলছে এই খারাপ ওই খারাপ। রোগীদের কী দুর্ভোগ ভাবুন। ইনজেকশন দিল মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে। খুব সমস্যা হচ্ছে। রোগীরা কীভাবে অন্ধকারে থাকবে?”

হাসপাতালের এক চিকিৎসক শাহরুখ হোসেন বলেন, “কারেন্ট নেই। কিন্তু আমাদের হাসপাতালে ইনভার্টার আছে। কোনও কারণে আজ সেটাও চলছে না। দুপুর ১২টা নাগাদ আমি ডিউটিতে আসি। তখন একজন কাজ করছিলেন। এই সমস্যা গতকালও হয়েছে বলে শুনি।”
