Ranaghat Case: বাড়িতে ছিল না ছেলে, রানাঘাটে ঘরের ভিতরে একসঙ্গে বৌমা আর বেয়ানকে পেয়েই ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন শ্বশুর

Nadia: ঘটনাটি নদিয়া রানাঘাট থানার অন্তর্গত হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশুতুষপুর এলাকা। সেখানেই এমন হাড়হিম ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত বৃদ্ধের নাম অনন্ত বিশ্বাস (৭০)। তাঁরই স্ত্রী চারদিন আগে মারা গিয়েছেন। সেই খবর পেয়েই অনন্ত বিশ্বাসের ছেলের যে বৌ তাঁর মা স্বপ্না মণ্ডল আসেন সেখানে। এরপর সকালে অনন্তর ছেলে ফুল বিক্রি করতে গিয়েছিলেন।

Ranaghat Case: বাড়িতে ছিল না ছেলে, রানাঘাটে ঘরের ভিতরে একসঙ্গে বৌমা আর বেয়ানকে পেয়েই ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন শ্বশুর
নদিয়ায় ভয়ঙ্কর ঘটনাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 19, 2026 | 5:37 PM

নদিয়া: ছেলের ফুলের দোকান রয়েছে। সেই কারণে ভোর ভোর বেরিয়ে যান তিনি। প্রতিদিনের মতো আজও তার অন্যথা হয়নি। তবে, ফুল বেচতে যাওয়ার পর নিজের বৌ আর শাশুড়ির সঙ্গে এমন কাণ্ড ঘটাবে তাঁর বাবা ভাবতেই পারেননি ছিলে। রানাঘাটে হাড়হিম ঘটনা। হয়ে গেল জোড়া খুন! ঘুমন্ত অবস্থায় বৌমা ও তাঁর মাকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে। কয়েক দিন আগে মেয়ের শাশুড়ি মারা গিয়েছিলেন। সেই কারণে তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন মা। সেই কারণে মা ও মেয়ে রাত্রে একই ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। সেই সময় ঘরের ডুকে কুড়ুল দিয়ে বৌমা ও তাঁর মাকে কুপিয়ে খুন করেন শ্বশুর বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে রানাঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ও ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনাটি নদিয়া রানাঘাট থানার অন্তর্গত হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশুতুষপুর এলাকা। সেখানেই এমন হাড়হিম ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত বৃদ্ধের নাম অনন্ত বিশ্বাস (৭০)। তাঁরই স্ত্রী চারদিন আগে মারা গিয়েছেন। সেই খবর পেয়েই অনন্ত বিশ্বাসের ছেলের যে বৌ তাঁর মা স্বপ্না মণ্ডল আসেন সেখানে। এরপর সকালে অনন্তর ছেলে ফুল বিক্রি করতে গিয়েছিলেন। ঘরে ছিলেন বৌমা শিল্পা বিশ্বাস মণ্ডল, আর তাঁর মা স্বপ্না মণ্ডল। অভিযোগ, বৃদ্ধ সেই সময় ঘরে ঢোকেন। তারপর কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেন বৌমা ও তাঁর মা-কে। বৃদ্ধের দাবি, বৌমাকে দিয়ে তাঁর মা তান্ত্রিকের সহযোগিতায় ঝাড় ফুক ও তুকতাক করে ক্ষতি করছে। সেই কারণেই তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রানাঘাট থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। প্রতিবেশী বিশাখা বিশ্বাস বলেন, “ছেলে ফুল বেচতে গিয়েছিল। সেই সময় শ্বশুর ঘরে ঢুকে গিয়ে এই কাজ করেছে। ওর মাথারও তো সমস্যা নেই। কেন হঠাৎ করে এমন ঘটনা ঘটালো বুঝতে পারলাম না।”