Mahua Moitra: ‘BJP-র ছোট্ট-ছোট্ট মহিলা কর্মীদের বলছি…ডিম নিয়ে হিরোইন সেজেছিলেন..আপনাদের মুখ তো দেখা গেছে’, হেসে-হেসে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার হুমকি মহুয়ার
Krishnanagar: এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক মহাদেব সরকার বলেন, "বিজেপি এই কালচার বিশ্বাস করে না। শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন এই সংস্কৃতি বরদাস্ত করা হবে না। দলের বার্তা এটা স্পষ্ট। কিন্তু সাংসদ যে হুমকি দিয়েছেন সেটা কাম্য নয়। উনি মিষ্টি মিষ্টি করে যে বিষ ছড়ানোর চেষ্টা করছেন লাভ হবে না।"

নদিয়া: শুরু হয়েছিল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দিয়ে। তারপর থেকে ছোট-বড়-মাঝারি যে সকল তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হচ্ছেন, তাঁদের দিকে পচা ডিম ছুড়ে মারা এখন বাংলার রাজনীতিতে ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে। সেই রকমই কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mohua Moitra) উদ্দেশ্য করে ডিম ছোড়ার মতলব করেছিলেন বিজেপির মহিলা কর্মীদের (BJP) একাংশ বলে দাবি তৃণমূল সাংসদের। তবে, মহুয়া (Mohua) সেখানে না উপস্থিত থাকায় ডিম থেরাপি চলেনি। আর তারপরই কড়া ভিডিয়ো বার্তা দিলেন মহুয়া। দরকারে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme court) যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূল সাংসদ।
ভিডিয়ো বার্তার মহুয়া কী বললেন?
কৃষ্ণনগরের সাংসদ বলেন, “এই মেসেজটা আমাদের বিজেপির ছোট্টো-ছোট্ট মহিলা কর্মীদের জন্য। আপনাদের একটা ভিডিয়ো দেখলাম আপনারা অধীর অপেক্ষায় ছিলেন। আপনাদের প্রত্যেকটার মুখ দেখা গিয়েছে। আপনাদের তো বিজেপির দাদারা তাতিয়েছে…বলেছে যান যান হিরোইন হবেন। হাতে ডিম নিয়ে অপেক্ষা করুন মহুয়া মৈত্র আসবেন। মহুয়া মৈত্র হতে পারবেন না কিন্তু তাঁকে ডিম ছুড়ে হিরোইন হবেন। আমি মহুয়া, উজ্জ্বল বিশ্বাস নই।”
তিনি এও বলেন, “রাজনীতি আমিও করেছি। আমি সাংসদ হয়েছি, শুভেন্দু অধিকারী বহুবার এখানে সভা করেছেন সেই সময় অনেকে পাল্টা সভা করার কথা বলেছিল। আমি করিনি। কিন্তু আপনাদের মুখ দেখা যাচ্ছে আর আমি তো FIR করব। দরকারে হাইকোর্টে প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট করব। আর আপনারা ডিম নিয়ে হিরোইন সেজেছিলেন আপনাদের কিন্তু তিন বছর কোর্টে হাজিরা দিতে হবে। কোনও বিজেপির দাদা বাঁচাবে না।”
ঠিক কী ঘটেছে?
গতকাল কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে একটি মামলার হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের। কোনও অজ্ঞাত কারণবশত তিনি কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে আসেননি। মহুয়াকে লক্ষ্য করে আদালত চত্বরে দিন এবং টমেটো ছুড়তে জড়ো হয়েছিল বিজেপির মহিলা কর্মীরা বলে দাবি মহুয়ার। সেটা জানতে পেরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই প্রতিক্রিয়া দেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।
এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক মহাদেব সরকার বলেন, “বিজেপি এই কালচার বিশ্বাস করে না। শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন এই সংস্কৃতি বরদাস্ত করা হবে না। দলের বার্তা এটা স্পষ্ট। কিন্তু সাংসদ যে হুমকি দিয়েছেন সেটা কাম্য নয়। উনি মিষ্টি মিষ্টি করে যে বিষ ছড়ানোর চেষ্টা করছেন লাভ হবে না।”
