Nadia: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে চাওয়া হচ্ছে ২০ হাজার টাকা, দিতে অস্বীকার করতেই ভয়ঙ্কর কাণ্ড পঞ্চায়েত সদস্যের
Trinamool Congress: প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে লাগাতার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। দুর্নীতির অভিযোগ বন্ধ বাংলায় বন্ধ আবাস যোজনা। কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েনের মধ্যে এ রাজ্যকে স্বনির্ভর করতে বাংলার বাড়ি প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী। দফায় দফায় চলছে ঘর দেওয়ার কাজ।

নাকাশিপাড়া: মুখ্যমন্ত্রীর বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। কাটমানি দিতে রাজি না হওয়ায় উপভোক্তার অনুমোদনের সমস্ত কাগজপত্র ছিঁড়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দায়ের, অভিযোগ দায়ের বিডিও-র কাছেও। ভোটের আগে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে নদিয়ার রাজনৈতিক মহলে।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে লাগাতার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। দুর্নীতির অভিযোগ বন্ধ বাংলায় বন্ধ আবাস যোজনা। কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েনের মধ্যে এ রাজ্যকে স্বনির্ভর করতে বাংলার বাড়ি প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী। দফায় দফায় চলছে ঘর দেওয়ার কাজ। এরইমধ্যে এবার নতুন অভিযোগ, নাকাশিপাড়া বিধান সভার বীরপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিদ্রাপোতা গ্রামে। এই গ্রামেরই বাসিন্দা দামিনী বিবি। তাঁর দাবি, আবাসের ঘরের তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় সার্ভে করে তাঁর নাম পাঠাতে গেলে চাওয়া হচ্ছে ২০ হাজার টাকা। তা নিয়েই ঝামেলার সূত্রপাত।
মূল অভিযোগ, বীরপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য উকিল আলি মণ্ডলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আবাসের তালিকা নিয়ে দামিনী বিবির বাড়িতে যান তিনি। তখনই তাঁর থেকে কুড়ি হাজার টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি এবং তাঁর স্বামী শুকুর আলি মণ্ডল সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেন। অভিযোগ, তখনই রেগে গিয়ে ওই পঞ্চায়েত সদস্য তাঁর ফর্ম ছিঁড়ে ফেলে দেন। এতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন দামিনী বিবির পরিবারের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই নাকাশিপাড়া থানায় ও বিডিও অফিসে ওই পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন।
