Naihati: নৈহাটির প্ল্যাটফর্ম নম্বর ৩, সেখানেই ব্যাগ হাতে চারজন দাঁড়িয়ে কেমন করছিলেন, GRP-কাছে এসে যা দেখল তাতে মাথায় হাত
রেল সূত্রে খবর, এ দিন নৈহাটি স্টেশনে যাত্রী সেজে টুরিস্ট ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন চার যুবক। তাঁদেরই আচরণে সন্দেহ হয় নৈহাটীর GRP-র। দ্রুত আধিকারিক এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। সেই সময় একজন পালানোর চেষ্টা করেন ব্যাগ রেখেই। তখন কর্তব্যরত GRP পুলিশরা ওই চারজনকে ধরে ফেলে।

নৈহাটি: নৈহাটির তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম। সেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিন-চারজন। কিন্তু তাঁদের হাবভাব দেখে হয় সন্দেহ। তারপরই এগিয়ে আসেন কয়েকজন GRP। আর তল্লাশি চালাতেই নজিরবিহীন ঘটনা। নৈহাটি স্টেশানে ১০০ কেজি গাজা উদ্ধার করলো GRP। গ্রেফতার চারজন যাত্রী।
রেল সূত্রে খবর, এ দিন নৈহাটি স্টেশনে যাত্রী সেজে টুরিস্ট ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন চার যুবক। তাঁদেরই আচরণে সন্দেহ হয় নৈহাটীর GRP-র। দ্রুত আধিকারিক এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। সেই সময় একজন পালানোর চেষ্টা করেন ব্যাগ রেখেই। তখন কর্তব্যরত GRP পুলিশরা ওই চারজনকে ধরে ফেলে।
এরপর ব্যাগ তল্লাশি করতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। উদ্ধার প্রায় একশো কেজির গাঁজা। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই গাঁজাগুলি নদিয়ায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতরা সবাই নিউ ব্যারাকপুরের বাসিন্দা। অভিযুক্তদের মধ্যে দু’জন আন্ত:রাজ্য মাদক পাচারকারী। এদের এই গাঁজার র্যাকেট কত দূর বিস্তৃত তার খোঁজ চালাচ্ছে রেল পুলিশ। তবে এত পরিমাণ গাজা পাচার শিয়ালদহ মেন শাখায় নজীর বিহীন ঘটনা
প্রসঙ্গত, এর আগে অর্থাৎ গত ১৬ই সেপ্টেম্বর বীরভূমের রামপুরহাটেও ঠিক এই ঘটনা ঘটেছিল। তখন আবার ২৫ কেজির গাঁজা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। নলহাটি থানার গোবিন্দ শিকদার ও নলহাটি থানার ভারপ্রাপ্ত শেখ মহম্মদ আলি যৌথ নেতৃত্ব চালান। আর সেই অভিযানেই পুলিশের হাতে আসে গাঁজা। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সুমন কর্মকার, নিশা সাহানি। এরা আহমেদপুরে থাকেন। বাকি দু’জনও সেখানকার বাসিন্দা। তাঁদের গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এরপর ফের একবার উদ্ধার হল গাঁজা।
