
হিঙ্গলগঞ্জ: প্রতিবেশী দাদুর লালসার শিকার ১৪ বছরের এক নাবালিকা। ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রৌঢ়। গ্রেফতার করল হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ। খবর প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষোভে ফুঁসছেন নাবালিকার আত্মীয় পরিজনরাও।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই নাবালিকার বাবা-মা বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন। বাড়িতে একাই ছিল ১৪ বছরের ওই নাবালিকা। অভিযোগ, সেই সুযোগে ওই প্রতিবেশী দাদু তাদের বাড়িতে ঢোকে। পরিচিত হওয়ায় কোনও সন্দেহ না করেই দরজা খুলে দিয়েছিল নাবালিকা। অভিযোগ, বাড়িতে বড়রা নেই জানতে পেরেই ওই নাবালিকার ওপর চড়াও হয় প্রৌঢ়। জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, কুকর্মের পর নাবালিকা কান্নাকাটি শুরু করলে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য তাকে হুমকি দেওয়া হয়। অভিযুক্ত বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বাবা-মা ফিরলে নাবালিকা কান্নায় ভেঙে পড়ে। সব কথা খুলে বলে। মেয়ের মুখে সবটা শুনে হতবার হয়ে যান মা-বাবা। রাতেই হিঙ্গলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকার পরিবার। সবটাই জানানো হয় পুলিশকে।
অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সক্রিয় হয় হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ। অভিযুক্তের খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে সুগ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে নির্যাতিতা নাবালিকার ইতিমধ্যেই ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। এদিনই ধৃতকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। নাবালিকার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়।