Saraswati pujo: সরস্বতী পুজো না করতে দেওয়ার অভিযোগ বাংলার আরও এক কলেজে
Saraswati pujo: পড়ুয়াদের অভিযোগ, কলেজে সরস্বতী পুজো করার জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী টাকা দিচ্ছে না গাভার্নিং বডি। এরপরই যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল স্মৃতি মহা বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ অধ্যক্ষের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। যার জেরে কলেজের মধ্যে আটকে পড়েন অধ্যক্ষ পাপুন বিশ্বাস। বিকাল ৪ টে থেকে রাত হয়ে যাওয়ার পরও আটকে রাখা হয় তাঁকে।

উত্তর ২৪ পরগনা: প্রথমে নদিয়ার হরিণঘাটা। তারপর কলকাতার যোগেশচন্দ্র কলেজ। আর এবার উত্তর ২৪ পরগনার নহাটা যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল স্মৃতি মহা বিদ্যালয়। অভিযোগ একটাই। সরস্বতী পুজোয় বাধা। আর তার জেরে কলেজ অধ্যক্ষের ঘরের সামনে বিক্ষোভ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের।
পড়ুয়াদের অভিযোগ, কলেজে সরস্বতী পুজো করার জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী টাকা দিচ্ছে না গাভার্নিং বডি। এরপরই যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল স্মৃতি মহা বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ অধ্যক্ষের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। যার জেরে কলেজের মধ্যে আটকে পড়েন অধ্যক্ষ পাপুন বিশ্বাস। বিকাল ৪ টে থেকে রাত হয়ে যাওয়ার পরও আটকে রাখা হয় তাঁকে।
বিক্ষোভকারী ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি, তাঁরা কলেজে সরস্বতী পুজো করতে চান। পুজোর জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল গাভার্নিং বডি ও অধ্যক্ষের কাছে। কিন্তু তাঁদের সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। দেওয়া হচ্ছে না সরস্বতী পুজোর জন্য টাকা। এ দিকে রাত পোহালেই পুজো। এখন তাঁরা কলেজে ঠাকুর আনেননি। এ প্রসঙ্গে গোপালনগর ২ নম্বর তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতি অমিত ভৌমিক বলেন, “বাগদেবীর পুজোতে অনুমতি দেননি গর্ভনিং বডির প্রেসিডেন্ট। টাকাও বরাদ্দ করা হয়নি। শুনলাম চেক নিয়েও বাড়ি চলে গিয়েছে। সেই কারণেই এই বিক্ষোভ।”
যদিও প্রিন্সিপাল বলেন, “সরস্বতী পুজোর জন্য কোনও অনুমতি লাগে না। পুজোর টাকার জন্য অনুমোদন পেতে কিছুটা দেরি হয়েছে। পুজো হবে। পড়ুয়ারা পুজোর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে চাইছে। সেই ক্ষেত্রে কিছুটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।” যদিও, ঘেরাওয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি।

