PAC Chairman: সব জল্পনার অবসানের পথে, উত্তরবঙ্গের বিধায়ক হচ্ছেন PAC চেয়ারম্যান
Kanaiyalal Agarwal PAC Chairman: বরাবরই পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান প্রধান বিরোধী দল থেকেই নির্বাচিত হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় একাধিকবার দেখা গিয়েছে, কংগ্রেস কিংবা বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে পরে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়কের হাতেই PAC-র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও সেদিকে কর্ণপাত করেননি বিধানসভা কর্তৃপক্ষ।

কলকাতা: কে হবেন বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (PAC)-র চেয়ারম্যান? বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়কদের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই এই নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। সূত্রের খবর, সেই জল্পনার অবসান ঘটছে। কানাইয়ালাল আগরওয়াল হতে চলেছেন পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ইসলামপুরের বিধায়কের হাতেই যেতে চলছে বিধানসভার এই অতি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব।
বরাবরই পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান প্রধান বিরোধী দল থেকেই নির্বাচিত হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় একাধিকবার দেখা গিয়েছে, কংগ্রেস কিংবা বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে পরে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়কের হাতেই PAC-র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও সেদিকে কর্ণপাত করেননি বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে, বিধানসভার যুক্তি থাকত, বিধানসভার অন্দরে উনি তো কংগ্রেসের বিধায়ক, বিজেপির বিধায়ক।
বিজেপি জমানায় বিধানসভার অন্দরে প্রধান বিরোধী দলের বিধায়কই হতে চলছেন জন হিসাবরক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান। যদিও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের সঙ্গে বিজেপি শিবিরের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা চর্চা রয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। আর কানাইয়ালাল আগরওয়াল ঋতব্রত শিবিরেই বিধায়ক হিসেবে পরিচিত।
কানাইয়ালালের রাজনৈতিক পথচলা-
একসময় উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন কানাইয়ালাল। ২০১৬ সালে কংগ্রেসের টিকিটে ইসলামপুর থেকে জিতে প্রথমবার বিধায়ক হন। যদিও মাস কয়েকের ব্যবধানে ২০১৭ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। ২০১৯ সালে রায়গঞ্জ থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে লোকসভা ভোটে লড়াই করেছিলেন। যদিও বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীর কাছে পরাস্ত হন। ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীকে জয়ী হন কানাইয়ালাল। কিন্তু, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর বিদ্রোহী বিধায়কদের তালিকায় তিনিও নাম লেখান। বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের বিধায়কদের সঙ্গেই বসতে দেখা যায় তাঁকে।
