
বনগাঁ: মিমির করা মামলা সহ সমস্ত মামলায় জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী, ফিরলেন ঘরে। আগে একটি মামলায় জামিন পেলেও পুলিশি হেনস্থার মামলায় জামিন পাননি তিনি। ফলে ঘরে ফিরতে পারেননি তনয়। অবশেষে দীর্ঘ দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এদিন বনগাঁ মহকুমা আদালত থেকে জামিন পান তিনি। তনয় শাস্ত্রীর পাশাপাশি তাঁর ছেলে ও ধৃত এক প্রতিবেশীও আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। ওই দিনই বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে এসে হেনস্থার শিকার হন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। এই মর্মে তিনি পুলিশেরও দ্বারস্থ হন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ২৯ জানুয়ারি পুলিশ তনয়কে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তবে গ্রেফতার করতে গিয়ে রীতিমতো বেগ পেতে হয় পুলিশকে। পুলিশকে মারধর এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তনয়, তাঁর ছেলে ও এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে পৃথক একটি মামলা রুজু করেছিল পুলিশ।
গত শনিবার মিমি চক্রবর্তীর দায়ের করা মূল মামলাটিতে তনয় শাস্ত্রীর জামিন মঞ্জুর হয়েছিল। তবে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় তাঁকে চার দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে এদিন ফের তাঁকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিশের মামলাতেও জামিন মঞ্জুর করেন।
এদিন সন্ধ্যায় জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে সোজা উদ্দেশ্যে রওনা দেন তনয়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্পষ্ট বলেন, আইনের উপরে আস্থা ছিল। জামিন পেয়ে বাড়ি যাচ্ছি। আসার সময় যেমন মানসিকভাবে স্ট্রং ছিলাম, জামিন পেয়ে ফেরার সময়ও তেমনই স্ট্রং রয়েছি।”