BSF: পায়ুদ্বারে লুকনো ছিল এই কালো রঙের বস্তুটি, বর্ডারে স্ক্যান করতেই বেরিয়ে এল…
BSF: জওয়ানরা তখন ওই ব্যক্তিকে দাঁড় করিয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে স্ক্যান করেন। তাতেই ধরা পড়ে যান তিনি। শরীরের মধ্যে লুকনো ধাতুর উপস্থিতি চোখে পড়ে যায়।

পেট্রাপোল: বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। তল্লাশিও চালানো হচ্ছে নিয়মিত। সেই তল্লাশি চালানোর সময়ই এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরল বিএসএফ। সন্দেহ হয়েছিল প্রথমে। দাঁড় করিয়ে স্ক্যান করার পরই বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে যায়।
পেশায় এই ফ্যাশন ডিজাইনার এই ব্যক্তি আদতে মুম্বইয়ের বাসিন্দা। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৬২৪ টাকার সোনা। দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের পেট্রাপোলের কাছে ধরা পড়েন তিনি। ধৃতকে কাস্টমসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, সোনা যে পাচার করা হচ্ছে, সেই খবর পৌঁছে গিয়েছিল বিএসএফ-এর ইন্টেলিজেন্স উইং-এর কাছে। সেইমতো পেট্রাপোল সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছিল ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
বিএসএফ-এর ১৪৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা সতর্ক ছিলেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে আইসিপি পেট্রাপোল দিয়ে সম্ভাব্য সোনা পাচারের খবর ছিল তাঁদের কাছে। সেই তথ্য় পেয়েই সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। তল্লাশিও চলে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী যাত্রীদের তল্লাশির সময়, একজনের কার্যকলাপ সন্দেহজনক বলে মনে হয় তাদের।
জওয়ানরা তখন ওই ব্যক্তিকে দাঁড় করিয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে স্ক্যান করেন। তাতেই ধরা পড়ে যান তিনি। শরীরের মধ্যে লুকনো ধাতুর উপস্থিতি চোখে পড়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তিনি কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। এরপর পায়ুপথে লুকিয়ে রাখা নলাকার ধাতব জিনিসটির কথা স্বীকার করে নেন ওই ব্যক্তি। সোনা পাচারের কথাও স্বীকার করেন তিনি।
বিএসএফ জওয়ানরা তাঁকে আটক করে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে। তাঁদের কর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁর শরীর থেকে পলিথিনে মোড়ানো সিলিন্ডার আকৃতির জিনিস পাওয়া যায়। ভিতর থেকে সোনার ধুলো উদ্ধার করে বিএসএফ।
