SIR: ছেলে-স্ত্রীর নামে আসে নোটিস, ভোররাতে থেকে বুকে ব্যথা বৃদ্ধের, সব শেষ

SIR In WB: এসআইআর-এর হেয়ারিংয়ের নোটিস আসে তাঁর স্ত্রী পুত্র-সহ পরিবারের তিনজনের নামে। সেই নোটিস আসার পর অজগর বিশ্বাস রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং এই বিষয়টি নিয়ে তিনি ভিতরে ভিতরে চিন্তা করতে থাকেন। রবিবার রাতে তাঁর বুকে ব্যথা শুরু হয়। ভোর রাতে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।  ভোর রাতে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

SIR: ছেলে-স্ত্রীর নামে আসে নোটিস, ভোররাতে থেকে বুকে ব্যথা বৃদ্ধের, সব শেষ
এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 26, 2026 | 12:01 PM

উত্তর ২৪ পরগনা: নিজের নামে নোটিস আসেনি, কিন্তু নোটিস এসেছিল পরিবারের তিন জনের নামে। আতঙ্ক, আর তার থেকেই মৃত্যু। এসআইআর আবহে আরও এক অভিযোগ।  এবার নিজের নামে হেয়ারিংয়ের এর নোটিস না আসলেও পরিবারের তিনজনের বিরুদ্ধে হেয়ারিংয়ের নোটিস আসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন বছর একাত্তরের অজগর বিশ্বাস। রবিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাটি ঘটেছে হিঙ্গলগঞ্জের ১২১ নম্বর বুথের ঘটনা।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআর-এর হেয়ারিংয়ের নোটিস আসে তাঁর স্ত্রী পুত্র-সহ পরিবারের তিনজনের নামে। সেই নোটিস আসার পর অজগর বিশ্বাস রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং এই বিষয়টি নিয়ে তিনি ভিতরে ভিতরে চিন্তা করতে থাকেন। রবিবার রাতে তাঁর বুকে ব্যথা শুরু হয়। ভোর রাতে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।  ভোর রাতে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।  পরিবারের দাবি, এসআইআর-এর আতঙ্কেই তাঁর হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।

মৃতর ছেলে আবু বক্কর বিশ্বাস বলেন, “বাবা আমাদের নিয়ে চিন্তা করত। সব সময় ভাবত, আমাদের  আর মায়ের কী হবে। নোটিস আসার পর থেকে সে কথা একাধিকবার আমাদের বলেছে। আমরা বুঝিয়েওছিলাম। কিন্তু টেনশন ভিতরে ভিতরে করতে থাকায় বুকে চাপ বাড়তে থাকে।”

প্রসঙ্গত, রবিবার পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের  আমড়াল গ্রামের মিলন রায় আত্মহত্যা করেন। পরিবারের দাবি,  প্রথমে বিষ খেয়েছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর সুস্থ হয়ে বাড়িও ফেরেন। কিন্তু তারপরও ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন বছর পঁয়ত্রিশের যুবক। পরিবারের দাবি, বাবার পদবীর সঙ্গে তাঁর পদবী না মেলায় নোটিস এসেছিল, তা নিয়েই আতঙ্কে ভুগছিল।