Financial help For Child: দারুণ উদ্যোগ, এবার থেকে পড়াশোনার জন্য বাংলার শিশুদের অ্যাকাউন্টেও পড়বে ৫০০ টাকা!
Basirhat: সীমান্তবর্তী গ্রাম্য এলাকায় অনেকক্ষেত্রেই অসহায় শিশুরা স্কুল ছুট হয়ে পড়ে। আবার কখনও বাবা-মা আর্থিক অনটনে ছেলেমেয়েদের অল্প বয়সেই ইটভাটা-সহ একাধিক কারখানায় কাজে পাঠিয়ে দেয়।

বসিরহাট: লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী, বার্ধক্য ভাতার পর এবার শিশুদের শিক্ষার জন্য মাসিক ভাতা! যে সব শিশু পড়াশোনার ক্ষেত্রে একাধিক আর্থিক বাধা রয়েছে, যাঁদের বাবা নেই, তাদের পড়াশোনার জন্য আর্থিক সাহায্য করবে স্থানীয় প্রশাসন। পিতৃহারা অসহায় শিশুদের জন্য বিশেষ ভাতা চালু হল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। অনেক শিশুই অস্বচ্ছল পরিবারের কারণে ঠিক মত পড়াশোনা করতে পারে না। আবার ছোট থেকে অনেক শিশু পিতৃহারা হওয়ার কারণে ঠিকমত পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ে। এবার সেই সব শিশুদের জন্য চালু হল বিশেষ মাসিক ভাতা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিশুরা মাসে মাসে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৫০০ টাকা করে পাবে। অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হল উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বসিরহাটের নিমদাড়িয়া কোদালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০ জন শিশুকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও বাড়ানো হবে বলে জানান গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান সাহারাফ মণ্ডল।
পরিসংখ্যান বলছে, সীমান্তবর্তী গ্রাম্য এলাকায় অনেকক্ষেত্রেই অসহায় শিশুরা স্কুল ছুট হয়ে পড়ে। আবার কখনও বাবা-মা আর্থিক অনটনে ছেলেমেয়েদের অল্প বয়সেই ইটভাটা-সহ একাধিক কারখানায় কাজে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে পড়াশোনা থেকে যেমন বঞ্চিত হয়, তেমনি শিক্ষার হারও কমতে থাকে। এই সমস্যার সমাধানে গ্রাম পঞ্চায়েতের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রধান সাফারাফ বলেন, “আমি জানি না বাংলায় আর কোথাও শুরু হয়েছে কিনা। তবে ওদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। জনগণ আমাদের চেয়ারে বসিয়েছে। এটা মমতা মডেল, অভিষেক মডেল ধরতে পারেন। যত জন আবেদন জমা দেবে, তারা প্রত্যেকে পাবে। আমি যতদিন থাকব, বাঁচব, ততদিন দেব। প্রত্যেক অনাথ শিশুকে ৫০০ টাকা করে দেব।”
