Kanchrapara Money Recover: কয়েকদিন আগেই এই স্কুল থেকে উদ্ধার হয়েছিল কোটি টাকা, ফের খুঁজতেই বেরিয়ে এল আরও গুপ্তধন
Kanchrapara School Cash Recovery: পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের জেরা করে ১৫ জুন গভীর রাতে ফের ওই স্কুলে হানা দেয় বীজপুর থানার পুলিশ। ধৃত দু’জনকে সঙ্গে নিয়েই চলে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন আরও প্রায় ৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ফলে মোট উদ্ধার হওয়া নগদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা।

কাঁচরাপাড়া: সপ্তাহখানেক আগে কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara Money Recovered) বেসরকারি স্কুল থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১ কোটি টাকার বেশি। আবারও ওই একই স্কুল থেকে উদ্ধার হল আরও লক্ষ লক্ষ টাকা। স্কুলে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় আগেই দুইজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই স্কুলে ফের অভিযান চালিয়ে টাকার বান্ডিল উদ্ধার করল বীজপুর থানার পুলিশ। কোথা থেকে আসছে এত টাকা (Money Recovered), আর কোথাও এরকম বেআইনিভাবে টাকা গচ্ছিত রাখা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশের তল্লাশি অভিযান
১০ জুন কাঁচরাপাড়ার ওই বেসরকারি স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম তল্লাশি চালায় বীজপুর থানার পুলিশ। সেই তল্লাশিতেই ঘর থেকে বেরিয়ে আসে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। তিনটি মেশিন আনা হয় টাকা গোনার জন্য। ওই ঘটনায় স্কুলের কোষাধ্যক্ষ অভীক নাগ ও সহকারি হিসাবরক্ষক সায়ন পালকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের জেরা করে ১৫ জুন গভীর রাতে ফের ওই স্কুলে হানা দেয় বীজপুর থানার পুলিশ। ধৃত দু’জনকে সঙ্গে নিয়েই চলে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন আরও প্রায় ৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ফলে মোট উদ্ধার হওয়া নগদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। আর কোথাও বেআইনিভাবে টাকা গচ্ছিত রাখা রয়েছে কি না তা ধৃত দু’জনকে জেরা করে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে।
প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাসের অভিযোগ,”সবটাই বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এবং তাঁর ভাই কাঁচরাপাড়ার চেয়ারম্যান কমল অধিকারীর কালো টাকা। শুধু একটা স্কুলে নয়, আমার ধারণা আরও অনেক জায়গায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে জায়গা গুলো ওদের কাছে নিরাপদ মনে হয়েছে, সেখানে টাকাগুলো রেখে দিয়েছে। তা না হলে একটা স্কুলে এত নগদ টাকা থাকতে পারে না।”
বিধায়কের আরও অভিযোগ, “২০২২ সালে চিটফান্ড মামলায় যখন সুবোধ অধিকারীর বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি করেছিল তখন থেকেই ওরা টাকা লুকানোর জায়গা খুঁজছিল। কমল অধিকারী সহ এফআইআরে যাXদের নাম রয়েছে তাঁদের পুলিশ খুঁজে বের করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও বিপুল কালো টাকার হদিস পাবে।” একইসঙ্গে স্কুলটিকে আমোদপ্রমোদের জায়গা বানিয়ে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন বিধায়ক।
