
উত্তর ২৪ পরগনা: স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠছিল। খবর যাচ্ছিল তাঁর কাছে। এইসব শুনে সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ কাউন্সিলরের। স্কুলে না এসেই উপস্থিতির খাতায় সই প্রধান শিক্ষিকার, সরব হলেন বনগাঁ পৌরসভার কাউন্সিলর। দু’বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানা এলাকার চম্পাবেড়িয়া এলাকার চম্পাবেড়িয়া কলোনি নং ২ জিএসএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হিসাবে দায়িত্ব নেন সৌমি মন্ডল। বনগাঁ পৌরসভার কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ বিশ্বাস জানান, এই প্রধান শিক্ষিকা স্কুলে আসার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠছিল।
শুক্রবার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে স্কুলের সারপ্রাইজ ভিজিট করেন তিনি। প্রসেনজিৎ জানান, তিনি এসে দেখেন প্রধান শিক্ষিকা স্কুলে আসেননি। কিন্তু রেজিস্টার খাতায় স্কুলে উপস্থিতির স্বাক্ষর করা রয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা এখান থেকে ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছেন, কিন্তু তিনি যাচ্ছেন না। অন্যান্য শিক্ষকদের উপর মানসিক চাপ তৈরি করছেন বলেও অভিযোগ। প্রসেনজিৎ চাইছেন, স্কুলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রধান শিক্ষিকার এই ধরনের কাজের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিক।
এক অভিভাবকেও বলেন, “প্রধান শিক্ষিকা ঠিক মতো স্কুলে আসেন না । কাগজপত্রের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছি। ওনাকে বিশেষ কিছু বলাও যায় না। কারণ উনি খারাপ আচরণ করতে থাকেন।” স্কুলের শিক্ষক জয়দেব রায় বলেন, “প্রধান শিক্ষিকা আজকে ছুটি নিয়েছেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে রেজিস্টার খাতায় স্বাক্ষর করে গিয়েছেন। তিনি আদৌ কখন স্কুলে এসে স্বাক্ষর করলেন, নাকি আগেই করা, তা বলতে পারছি না।”