
বনগাঁঁ: শ্লীলতাহানির ধারায় শেষ পর্যন্ত বনগাঁ আদালতের বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দিলেন অভিনেত্রী তথা যাদবপুরের প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। আদালত থেকে বেরিয়ে ফের একবার তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। আদালত থেকে বেরিয়ে অভিনেত্রী বলেন, “বিচারকের কাছে যে জবানবন্দি দেওয়ার কথা ছিল সেটাই দিতে এসেছিলাম। আমার লড়াইটা মিথ্যার বিরুদ্ধে ছিল, আমার নামে যে মিথ্যা অপবাদটা দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে ছিল। সেটার বিরুদ্ধেই লড়াই চলছে।”
গত ২৫ জানুয়ারি বনগাঁ পৌরসভার নয়া গোপালগঞ্জ যুবক সংঘের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মিমির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে ক্লাবের কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে। গান থামিয়ে মিমিকে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এ ঘটনার পরেই তনয়ের বিরুদ্ধে পুলিশে এফআইআর-ও করেন। পুলিশ গ্রেফতারও করে অভিযুক্তকে। যদিও গ্রেফতার করতে গিয়ে বাধার মুখেও পড়তে হয় পুলিশকে। একদিন আগেই চারদিনের জেল হেফাজতের শেষে তাঁকে ফের আদালতে তোলা হয়। ফের ৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যদিকে এই মামলাতেই নতুন করে শ্লীলতাহানির ধারা যুক্ত করে তনয় শাস্ত্রীকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করেছিল পুলিশ।
মিমি যদিও ওই ক্লাবের অন্য সদস্যদের রীতিমতো প্রশংসাই করছেন। তিনি বলছেন, ওই দিন ক্লাবের লোকেদের যথেষ্ট ভাল ব্যবহারই ছিল। সকলেই ভদ্র ব্যবহার করেছিলেন, শুধুমাত্র তনয় শাস্ত্রী ছাড়া। আর আমি নেমে আসার পরেও অনুষ্ঠান হয়েছে তার প্রমাণ দিতেই আমি এসেছি। মিথ্যাকে বারবার বলে সত্য প্রমাণ করা যায় না, তাতে টিআরপি হয়।” অন্যদিকে এ বিষয়ে তনয় শাস্ত্রীর আইনজীবী দীপাঞ্জয় দত্ত বলেন, “বিচারক গোপন জবানবন্দি দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। এটা তদন্তের একটা পার্ট। ওনার গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।”