AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sandeshkhali: সকালে সাক্ষাৎ শিশুসুরক্ষা কমিশনের, রাতে ‘ওদের’ ভয়ে বুক কাঁপছে মহিলার

Sandeshkhali: বাচ্চাটিকে ছুড়ে ফেলার পর বারবার অভিযোগ উঠেছিল এক সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পরও কেন পরিবারের তরফে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি। সে প্রসঙ্গে বলতে ভুজঙ্গ দাসের স্ত্রী জানিয়েছেন, "আমি ওদের বিশ্বাস করতে পারছি না। যাঁরা আমার বাচ্চাকে ফেলে দিয়েছে। তাঁরা কী তদন্ত করবে?"

Sandeshkhali: সকালে সাক্ষাৎ শিশুসুরক্ষা কমিশনের, রাতে 'ওদের' ভয়ে বুক কাঁপছে মহিলার
সন্দেশখালিতে শিশুকে ছুড়ে ফেলার অভিযোগImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 17, 2024 | 12:48 PM
Share

সন্দেশখালি: এক সপ্তাহ পেরিয়েছে। অবশেষে সন্দেশখালির শীতুলিয়ায় পৌঁছেছে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন। সেখানে বিজেপি কর্মী ভুজঙ্গ দাসের স্ত্রী-র কোল থেকে তাঁর শিশুকে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আজ শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি দল পৌঁছতেই পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন শিশুটির মা। ছবি দেখিয়ে চিহ্নিত করেন কে কে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি এও জানান, তাঁরা এখনও পুলিশকে বিশ্বাস করতে পারছেন না।

বাচ্চাটিকে ছুড়ে ফেলার পর বারবার অভিযোগ উঠেছিল এক সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পরও কেন পরিবারের তরফে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি। সে প্রসঙ্গে বলতে ভুজঙ্গ দাসের স্ত্রী জানিয়েছেন, “আমি ওদের বিশ্বাস করতে পারছি না। যাঁরা আমার বাচ্চাকে ফেলে দিয়েছে। তাঁরা কী তদন্ত করবে?” আতঙ্কিত ওই মহিলা বলেছেন, “আমার স্বামী এখনও ঘর ছাড়া। আমরা ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারছি না। কমিশনের লোকজন চলে গেলে কী হবে? সব কথাই কমিশনের লোকজনকে জানিয়েছি।”

যদিও, এ দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন বলেন, “সাত দিন আগে আমাদের কাছে কোনও খবর আসেনি। যখন আমাদের কাছে খবর আসে, তখনই আমরা সক্রিয় হই। আমাদের আগে কাল বিকালে খবর এসেছে।”

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি)সিতোলিয়া গ্রামে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, বিজেপি কর্মী ভুজঙ্গ দাসের বাড়িতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। ভুজঙ্গ দাসের স্ত্রী দাবি করেন, রাত তিনটে নাগাদ পুলিশের পোশাকে একদল দুষ্কৃতী ঘরে ঢোকে। তাঁর কাছ থেকে বাচ্চাকে ছু়ড়ে ফেলে দেয়। ওই মহিলা বলেন, “মুখে কালো কাপড় বেঁধে পুলিশ এসেছিল। ওদের কারোর কারোর পায়ে জুতো ছিল না। কেউ আবার চপ্পল পড়ে এসেছিল। বাইরে থেকে আমার স্বামীকে ডাকছিল। দরজা না খোলায় গালাগালি করে। সন্দেশখালি থানার একজন আধিকারিক ছিল। ওরা আমার কোল থেকে বাচ্চা ফেলে দিয়েছিল। আমার চুলের মুটি ধরে টানে। এমনকী পুরুষ পুলিশ নাইটি টেনেছিল।”

Follow Us