AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR: চেষ্টা করেছিলেন, যাতে প্রত্যেকের নাম থাকে! দিনরাত এক করে কাজ করেন! তালিকা বেরোতেই সেই BLO-ঘাড়ে নেমে এল ‘খাড়া’!

SIR In WB: শনিবার ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখতে পান তাঁর নাম ডিলিট দেখাচ্ছে। দীপঞ্জন বলেন,  তিনি এসআইআর-এ  বিএলও-র দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন।  তাঁর বাবা-মা, ঠাকুরদাদার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। কিন্তু বাবার নামের বানান ভুলের কারণে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে তাঁকে এবং তাঁর ছোট ভাইকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

SIR: চেষ্টা করেছিলেন, যাতে প্রত্যেকের নাম থাকে! দিনরাত এক করে কাজ করেন! তালিকা বেরোতেই সেই BLO-ঘাড়ে নেমে এল 'খাড়া'!
বিএলও দীপাঞ্জন বিশ্বাসImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 01, 2026 | 3:39 PM
Share

উত্তর ২৪ পরগনা: দিন রাত এক করে কাজ করেছিলেন। এলাকার প্রত্যেক বাসিন্দার নথি ঠিক মতো যাচাই করেছিলেন। চেষ্টা করেছিলেন, যাতে সকল বৈধ ভোটারের নাম থাকে তালিকায়। কিন্তু সেই বিএলও-রই নাম থাকল না তালিকায়।  ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে বাবা, ঠাকুরদাদার। তার পারেও ভোট কাটা গেল খোদ বিএলও-র নাম। উৎকণ্ঠায় পরিবার।  উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার চাঁদপাড়ার ১৭২ নম্বর পার্টের বাসিন্দা এবং ১৩২ নম্বর পাটের বিএলও দীপাঞ্জন বিশ্বাস।

শনিবার ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখতে পান তাঁর নাম ডিলিট দেখাচ্ছে। দীপঞ্জন বলেন,  তিনি এসআইআর-এ  বিএলও-র দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন।  তাঁর বাবা-মা, ঠাকুরদাদার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। কিন্তু বাবার নামের বানান ভুলের কারণে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে তাঁকে এবং তাঁর ছোট ভাইকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। তাঁরা হিয়ারিংয়ে পর্যাপ্ত নথিও দেখিয়েছিলেন। নাম কাটা যেতে পারে, এরকম কোনও চিন্তাও আসেনি তাঁদের মাথায়। শনিবার ভোটার তালিকে প্রকাশের পর তিনি দেখতে পান, তাঁর ছোট ভাই সহ পরিবারের সকলের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। শুধু মাত্র তাঁর ক্ষেত্রে ডিলিট লেখা। গাফিলতির অভিযোগ তুলছেন তিনি।

দীপাঞ্জনের বাবা দীপক বিশ্বাস বলেন, “আমার দুই ছেলে হিয়ারিংয়ে গিয়েছিল। ছোট ছেলের নাম থাকলেও বড় ছেলের নাম কেটে দিয়েছে। এর পেছনে চক্রান্ত থাকতে পারে। ও স্কুল শিক্ষক। বিএলও ছিল। স্বাভাবিক দুশ্চিন্তা তো হচ্ছে। রাতে ঘুমাতে পারিনি। আমরা চাই দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হোক।”

গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, “কী কারণে নাম কাটা গেল, সেটা এনুমারেশন ফর্ম দেখলে বোঝা যাবে। উনি যদি আবেদন করেন আমরা বিষটি খতিয়ে দেখব।”