SIR-এ ব্যস্ত বিচারকরা, কোর্টরুম স্তব্ধ, অনিশ্চিত শুনানি, ফিরছেন সাক্ষীরাও!

SIR: ডিস্ট্রিক্ট পিপি থেকে সাধারণ আইনজীবী গুরুতর সমস্যার কথা বলছেন। যাদের মামলা চলছে, তাঁরা আরও সমস্যায় পড়েছেন। কারও মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে কিংবা কারও সাক্ষী গ্রহণ। অনেক কষ্ট করে সাক্ষী জোগাড় করে নিয়ে এসেছেন কিন্তু বিচারক না থাকার কারণে এই সমস্ত মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এইসব মামলা আবার সঠিকভাবে কবে শুরু হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আইনজীবীরা।

SIR-এ ব্যস্ত বিচারকরা, কোর্টরুম স্তব্ধ, অনিশ্চিত শুনানি, ফিরছেন সাক্ষীরাও!
বিচারকরা ব্যস্ত SIR এর কাজে, স্তব্ধ কোর্টরুমImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 25, 2026 | 10:06 AM

উত্তর ২৪ পরগনা: SIR এর নথি যাচাইয়ের জন্য এখন ব্যস্ত বিচারকরা। আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত বিচারকরা আদালতে আসবেন না। তারা SIR এর কাজ সম্পন্ন করতে ব্যস্ত থাকবেন। বারাসত আদালতে ১৫ জন বিচারকের আদালত বসে। একজন ডিস্ট্রিক্ট জজ-সহ মোট ৮ জন অতিরিক্ত ডিস্ট্রিক্ট জজ SIR এর জন্য চলে গিয়েছেন। এইসব আদালত গুলি অন্য বাকি বিচারকরা সামলাবেন। মানে বিষয়টা দাঁড়ালো ছ’জন বিচারক ১৫ টি আদালতের কক্ষ সামলাবেন। স্বাভাবিকভাবেই সমস্যাটা কত ভয়ানক সেটা বোঝা যাচ্ছে।

ডিস্ট্রিক্ট পিপি থেকে সাধারণ আইনজীবী গুরুতর সমস্যার কথা বলছেন। যাদের মামলা চলছে, তাঁরা আরও সমস্যায় পড়েছেন। কারও মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে কিংবা কারও সাক্ষী গ্রহণ। অনেক কষ্ট করে সাক্ষী জোগাড় করে নিয়ে এসেছেন কিন্তু বিচারক না থাকার কারণে এই সমস্ত মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এইসব মামলা আবার সঠিকভাবে কবে শুরু হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আইনজীবীরা।

পাবলিক প্রসিকিউটর বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী বলেন, “আপাতত ৯ তারিখ পর্যন্ত তো সমস্যা। সেটা বাড়তেও পারে। কিছু মামলার ক্ষেত্রে তো হাইকোর্টের নির্দেশও রয়েছে। সমস্ত মামলাই সমস্যায় পড়ছে। যতদিন বিচারকরা এসআইআর-এর কাজ করবেন, তাঁরা আদালতে অনুপস্থিত থাকবেন। সাক্ষী এসে ফেরত চলে যেতে হচ্ছে।”

অ্যাডিশন্যাল ডিস্ট্রিক্ট পিপি শ্যামলকান্তি দত্ত বলেন, “১৪ টা নিম্ন আদালতের এডিজে-রা এসআইআর-এর কাজে চলে গিয়েছেন। ট্র্যাক কোর্ট চালাচ্ছে। এখন ট্র্যাক কোর্টের নিজস্ব মামলা রয়েছে, পাশাপাশি এই মামলাগুলোকেও দেখতে হচ্ছে। ফলে বেল ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না। অনেকগুলো মামলার নিষ্পত্তির সময় হয়ে এসেছে। সাক্ষী এসে ঘুরে চলে যাচ্ছে। এই সমস্যাটা থাকছেই।”