
বনগাঁ: SIR-এর বিরোধিতায় পথে নেমেছিলেন মতুয়াদের একাংশ। সাংসদ মমতা বালা ঠাকুর অনশনেও বসেছিলেন। এসআইআর বাতিলের দাবিতে কলকাতার রাজপথে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল মতুয়াদের একাংশকে। ভোটের আগে এই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে ময়দানে নেমেছিল তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রমাগত যোগাযোগ রেখেছিলেন তাঁদের সঙ্গে। আজ সেই মতুয়া গড়ে পৌঁছলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একগুচ্ছ আশ্বাস দিলেন তিনি।
মতুয়াদের কী কী আশ্বাস শুভেন্দুর?
কারা বিডিও অফিস যাবেন জানালেন শুভেন্দু: যাঁদের নোটিস করবে, তাঁরা যাবেন। ৮৫ বছরের উর্ধ্বরা যাবেন না। বিডিও-রা আসবে।
প্রক্রিয়া বললেন শুভেন্দু: নাম যদি ERO কাটে। আমি অশোক কীর্তনিয়ার কাছে ফরম্যাট পাঠাব। EO-র কাছে আবেদন করবেন। সেও যদি বাতিল করেন, তাহলে CEO-র কাছে আবেদন করবেন। আর সিইও অফিসে আবেদনের বিষয় দায়িত্ব নেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
হিন্দু কেশাগ্র স্পর্শ করতে কেউ পারবেন না, এমন দাবিও করলেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “CAA-র সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে মতুয়াবাড়ির সার্টিফিকেট কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করছে,করবে। এখনও অবধি ৬০ হাজার মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছেন।” বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন। তিনি বলেন,”যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের মধ্যে কার চাকরি গেছে? কার স্কুলের অ্যাডমিশন গেছে? তাই ক্যা ক্যা ছি ছি বলা সরকার ভুল বুঝিয়েছিল। হাজারের বেশি সিএএ সার্টিফিকেট পেয়ে গেছেন। বাকিও পেয়ে যাবেন।”
এ দিকে, শুভেন্দু যখন মতুয়া গড়ে গিয়ে মতুয়াদের আশ্বাস দিচ্ছেন সিএএ নিয়ে সেই সময়, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বললেন শান্তনু ঠাকুর। মতুয়া মহাসঙ্ঘের পক্ষ থেকে ৬ সদস্যকে নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যান শান্তনু ঠাকুর। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। ওনাকে জানিয়েছি, মতুয়ারা নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”