Barrackpore: প্রতিবাদ জানাতেই একেবারে পেটে লাথি মারলেন TMC কাউন্সিলর! ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যুতে বিস্ফোরক অভিযোগ

North 24 Pargana: এরপরই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে-সঙ্গে তাঁকে ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন তাঁকে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যারাকপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃতের পরিবার। যদিও এখনো গ্রেফতার হয়নি ওই অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর।

Barrackpore: প্রতিবাদ জানাতেই একেবারে পেটে লাথি মারলেন TMC কাউন্সিলর! ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যুতে বিস্ফোরক অভিযোগ
বাঁদিকে মৃত বৃদ্ধ, ডানদিকে তৃণমূল কাউন্সিলরImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Feb 08, 2026 | 4:29 PM

ব্যারাকপুর: প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ। তারই প্রতিবাদ করেছিলেন বছর একাশির এক বৃদ্ধ। পুরসভায় অভিযোগ জানানোর জন্য কাউন্সিলরের রোষানলে পড়তে হল তাঁকে? বৃদ্ধের পরিবারের দাবি, কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য লাথি মেরেছিলেন একাশি বছরের বৃদ্ধকে। সেই কারণে মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধের। এই ঘটনা সামনে আসতেই উত্তর ব্যারাকপুরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, প্রতিবেশীর বে-আইনি নির্মাণ বানানোর প্রতিবাদ জানিয়ে উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভাতে চিঠি দিয়েছিলেন মণিরামপুর এলাকার বাসিন্দা তুলসী চরণ অধিকারিক। অবিযোগ, এরপরেই রবিবার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য তুলসীবাবুর বাড়িতে এসে হাজির হন। বেধড়ক মারধর করেন একাশি বছরের বৃদ্ধকে। এমনকী রবীনবাবু বৃদ্ধে পেটে লাথি মারেন বলেও অভিযোগ।

এরপরই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে-সঙ্গে তাঁকে ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন তাঁকে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যারাকপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃতের পরিবার। যদিও এখনো গ্রেফতার হয়নি ওই অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর।

মৃতের পুত্রবধূ পারমিতা অধিকারী বলেন, “আমাদের অপরাধ একটাই, আমাদের পাশে একটা বেআইনি বাড়ি হচ্ছে। আমরা কাউন্সিলরকে জানাই। কোনও পদক্ষেপ করেনি। উনি পদক্ষেপ করলে বাড়ি উঠে যেত না। আমাদের অপরাধ ওঁকে টপকে কেন চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছি। সেই কারণে ইগোতে লেগেছে। দলবল নিয়ে এসে আমার স্বামীর গায়ে হাত তুলেছে। ছেলেকে মারতে দেখে কোনও বাবা কি চুপ থাকতে পারে? শ্বশুরের একাশি বছর বয়স। কীভাবে উনি লাথি মারলেন তাঁকে?” মৃতের ছেলে বলেন, “বাবাকে গালিগালাজ করেছে। বাবা সঙ্গে সঙ্গে কাউন্সিলরের কলার ধরেছে। আমি বাবাকে বললাম বাবা ওঁকে ছেড়ে দাও। বাবা ছাড়তেই রবীন আমায় বলছে, এখানে এসেছি মস্তানি করতে? এরপর বাবাকে ঠেলেছে। লাথি মেরেছে। বাবা মাটিতে পড়ে গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছে।”

অভিযুক্ত কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য বলেন, “ওঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী ওঁর ছেলে। অসুস্থ বাবাকে নিয়ে এসে চিৎকার করছিল, আমায় গালিগালাজ করছিল। আমায় মেরেছে। আমি ওঁর সঙ্গে কিছু করিনি। পাড়ায় গেলে সব জানা যাবে।”