
উত্তর ২৪ পরগনা: মাটিয়ায় কলেজ পড়ুয়ার খুনের ঘটনায় তপ্ত পরিস্থিতি। নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের উপপ্রধানের। এবার তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, উপ-প্রধান পদ থেকে বহিষ্কার। নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের চাঁপাপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান তরিকুল ইসলাম মন্ডল, ডাকনাম -পিন্টু। মাটিয়ার চাঁপাপুকুর পঞ্চায়েতে উত্তেজনা।
গত সোমবার ১৯ জানুয়ারি মাটিয়া থানার সিতুলিয়া এলাকায় বছর বাইশের রিয়াজ মণ্ডল নামে এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয় আমবাগানের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে । গত বৃহস্পতিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। দেহটি পাওয়ার পর এলাকার মানুষ অভিযোগ তোলে, যে চাঁপাপুকুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পিন্টু মণ্ডল এই খুনের সঙ্গে জড়িত। এই ঘটনায় বেশ কয়েকটি আটক করেছিল পুলিশ। তার মধ্যে এক নাবালককে গ্রেফতারও করা হয়। অভিযোগ, পুলিশ যাদের থানায় ধরে নিয়ে গিয়েছিল, তাদের প্রত্যেককে ছাড়িয়ে নিয়ে যান উপপ্রধান। তাতেই তাঁর ওপর আক্রোশ বাড়ে গ্রামবাসীদের।
এই অভিযোগে এলাকায় রণক্ষেত্র তৈরি হয়। পিন্টু মণ্ডলের বাড়িতে এবং তাঁর গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর পিন্টু মন্ডল এলাকাছাড়া হয়ে যায়।
পিন্টুর গ্রেফতারির দাবিতে রাতে এলাকার মানুষ দফায় দফায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।
এলাকার মানুষের দাবি মাথায় রেখে বুধবার তৃণমূল দলের বসিরহাট উত্তর বিধানসভা তৃণমূলের চেয়ারম্যান এটিএম আব্দুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, যতদিন তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে, ততদিন দল থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।