Habra: আগেই কাটা পড়েছে দু’টো পা! ঝাগড়া করে রেল লাইনে মাথা দিল স্বামী, বাঁচাতে গিয়েই স্বামীর সঙ্গেই শেষ হয়ে গেল স্ত্রী
Habra: বাড়িতেই একটা ছোট দোকান করে সেখানেই বসতেন। কোনওরকম চলতো সংসার। কিন্তু, সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য না থাকায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা ছিল রোজকার ঘটনা। এলাকার লোকজন বলছেন মদ্যপানের নেশা ছিল তিন্নাথের।

হাবরা: ঝাগড়া করে রেল লাইনে গিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা। লাইনে শুয়েও পড়েছিল স্বামী। কাঁদতে কাঁদতে স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে স্বামীর সঙ্গেই শেষ হয়ে গেল স্ত্রী। এদিন মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে হাবড়ার জয়গাছি ৩০ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন এলাকায়। এই এলাকাতেই দীর্ঘদিন থেকে বাস তিন্নাথ সাহা ও সুনন্দা সাহার। পরিবারের অবস্থা কোনওকালেই ভাল নয়। বছর চারেক আগে এক দুর্ঘটনায় দু’টি পা হারান তিন্নাথ।
সেই থেকে বাড়িতেই একটা ছোট দোকান করে সেখানেই বসতেন। কোনওরকম চলতো সংসার। কিন্তু, সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য না থাকায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা ছিল রোজকার ঘটনা। এলাকার লোকজন বলছেন মদ্যপানের নেশা ছিল তিন্নাথের। এদিকে অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে সংসারের হাল ধরতেন স্ত্রী সুনন্দা। কিন্তু, স্বামীর অতিরিক্ত মদ্যপানের প্রতিবাদ করলেই লেগে যেত ঝামেলা। এদিকে বাড়িতে তাঁদের দুই সন্তানও আছে।
সূত্রের খবর, এদিন একাধিক ইস্যু নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝামেলা লেগে যায়। বচসার মধ্যেই আত্মহত্যা করবেন বলে চিৎকার শুরু করে দেন তিন্নাথ। স্ত্রীকে ভয় দেখাতে পাশেই রেললাইনে গিয়ে শুয়ে পড়েন। এদিকে সেই সময় এই লাইনে আসছিল একটি লোকাল ট্রেন। দেখা মাত্রই স্বামীকে বাঁচাতে ছুটে যান স্ত্রী। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে স্বামীর সঙ্গেই ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়েন সুনন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। শোকের ছায়া এলাকায়।
