Asansol CPIM: সিপিএম প্রার্থী একাই দাপাচ্ছেন ময়দানে, আসানসোলে তৃণমূল-বিজেপির প্রার্থী কোথায়?
Asansol Loksabha: জাহানারা খান চুটিয়ে প্রচার করছেন এই বাজারে। আর বলছেন, গত দশ বছর ধরে বাইরের তারকা এনে এখানে সাংসদ করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষ কি সেই সাংসদের মুখ দেখতে পেয়েছেন? সোমবার রানিগঞ্জের সিয়ারসোলে বিভিন্ন গলি গলিতে প্রচার করেন জাহানারা খান। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মহিলা সমিতির রাজ্য সম্পাদক কনিনীকা ঘোষ, প্রাক্তন সাংসদ তথা শ্রমিক নেতা বংশগোপাল চৌধুরীও।

আসানসোল: তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে ঠিকই। তবে প্রার্থী এখনও প্রচারে নেই। বিজেপিও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছিল। তবে নাম ঘোষণার পরদিনই বলেন, তিনি ভোটে লড়বেন না। তাই আপাতত ভোটের আসানসোলে ভোটাররা শুধু সিপিএমের প্রার্থীরই মুখ দেখতে পাচ্ছেন। বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার থেকে কর্মিসভা—ময়দানে শুধুই সিপিএম প্রার্থী।
আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সিপিএমের শ্রমিক নেত্রী জাহানারা খান বামেদের মুখ। তৃণমূল প্রার্থী করেছে ‘বিহারীবাবু’ শত্রুঘ্ন সিনহাকে। বিজেপি ভোজপুরী তারকা পবন সিংয়ের নাম ঘোষণা করলেও রণে ভঙ্গ দিয়েছেন শুরুতেই। প্রথমে এক্স হ্যান্ডেলে পবন লিখেছিলেন, ভোটে লড়বেন না। পরে বলেন, ভোটে লড়বেন। তবে সেটা আসানসোল কি না তা আর বলেননি।
জাহানারা খান চুটিয়ে প্রচার করছেন এই বাজারে। আর বলছেন, গত দশ বছর ধরে বাইরের তারকা এনে এখানে সাংসদ করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষ কি সেই সাংসদের মুখ দেখতে পেয়েছেন? সোমবার রানিগঞ্জের সিয়ারসোলে বিভিন্ন গলি গলিতে প্রচার করেন জাহানারা খান। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মহিলা সমিতির রাজ্য সম্পাদক কনিনীকা ঘোষ, প্রাক্তন সাংসদ তথা শ্রমিক নেতা বংশগোপাল চৌধুরীও।
এর আগে বাবুল সুপ্রিয় আসানসোলের সাংসদ ছিলেন। তারপর উপনির্বাচনে সাংসদ হন শত্রুঘ্ন সিনহা। বামেদের অভিযোগ, এখানকার মানুষ তাঁদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠালেও পরিবর্তে মানুষ কিছুই পাননি। আসানসোলের কথা একবারও সাংসদে গিয়ে বলেননি কেউ। উল্টে ১০ বছরে একাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ বামেদের। জাহানারা খান বলেন, যেকোনও পরিস্থিতিতে লাল ঝান্ডাই থাকে মেহনতি মজদুরদের স্বার্থরক্ষায়।
সপ্তাহের প্রথম দিনে সিপিএম প্রার্থী রানীগঞ্জে ছিলেন প্রচারের ময়দানে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা এখনো আসেননি আসানসোলে। অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থীও ঘোষণা হয়নি। ফলে সবদিক দিয়ে প্রচারে এগিয়ে সিপিএম। সিপিএম প্রার্থী জাহানারা খান সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি করছেন। সারাদিন উপোস করছেন এবং প্রচারের মধ্যেই তিনি রোজা খুলছেন। তারপর রাতে ফের প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন।
