
দুর্গাপুর: ভীন রাজ্যের এক ডাক্তারি চিকিৎসক পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল দুর্গাপুরে। এবার সেই একই কলেজে ভয়ঙ্কর ঘটনা। ওই বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতালের হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। ওই পড়ুয়াও দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে হোস্টেলের বাথরুম থেকে দ্বিতীয় বর্ষের চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মৃতের নাম লাবণ্য প্রতাপ। তাঁর বয়স ২২। এই চিকিৎসক পড়ুয়া থাকেন বিহারের পাটনায়। কিন্তু কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিন মৃতের বাবা বলেন, “আমাদের কেউ বলেনি। দরজা খুলে দেখি আমার ছেলে ঝুলছে। আমি তখনই প্রশাসনকে জানালাম। তারপর পুলিশ এসে উদ্ধার করল।” তিনি আরও বলেন, “বাবা-মা তো টাকা পয়সা দেয়। ছেলেদের নিরাপত্তার বিষয়টা তো দেখবে কলেজ কর্তৃপক্ষ দেখবে।” বস্তুত, সম্প্রতি কলেজে পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছে। সেই রেজাল্ট খুব একটা ভাল হয়নি। তার জন্যই লাবণ্য আত্মহত্যা করেছেন কি না তা এখনও জানা যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর দ্বিতীয় বর্ষের এক ওই ডাক্তারি পড়ুয়াকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরে জঙ্গলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ওইদিনই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার মধ্যে পাঁচজন দুর্গাপুরের ওই মেডিক্যাল কলেজের লাগোয়া গ্রামের যুবক। অন্যজন ওই তরুণীর সহপাঠী। যাঁর সঙ্গে তিনি ওইদিন মেডিক্যাল কলেজের বাইরে গিয়েছিলেন। সকলেই এখন পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। এই ঘটনার পর ফের একবার সেই একই কলেজের ছাত্রের দেহ উদ্ধার।