Durgapur: বিয়ে বাড়িতে চলবে কোন গান, তা নিয়েই ‘GUN FIRE’! মৃত ১, লগ্নভ্রষ্ট ২

Asansol: বরযাত্রীদের দাবি, গান পরিবর্তন করতে চায়নি কনের বাড়ির লোকজন। গান পাল্টে দিলে এতকিছু হতই না। এদিকে কনের বাবা জাদুকর বেদ বলছেন, “আর্টিস্ট বেদ আমাদের বাড়িতে এসেছিল। বরযাত্রী আসার পরেই তাঁর ওপর হামলা হয়।”

| Edited By: জয়দীপ দাস

Mar 09, 2025 | 3:57 PM

দুর্গাপুর: বিয়েবাড়িতে এক্কেবারে ধুন্ধুমার কাণ্ড। বরপক্ষ ও কনেপক্ষের মধ্যে হাতাহাতিতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার ভ্যাম্বে কলোনি। ঝরল রক্ত। মৃত্যু হল মেয়ের বাড়ির এক যুবকের। উঠল খুনের অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত বন্ধই হয়ে গেল বিয়ের অনুষ্ঠান। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

মৃত যুবকের নাম আর্টিস্ট বেদ (১৮)। সে পাণ্ডবেশ্বর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকার অবস্থা থমথমে। এলাকায় মোতায়েন পুলিশ। শনিবার দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার ভ্যাম্বে কলোনিতে এই বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠান ছিল। আর যতকাণ্ড সেখানেই। স্থানীয় সূত্রে খবর, পশ্চিম বর্ধমানের বরাকর থেকে এসেছিল বরযাত্রীরা। তাঁরা আসার পরেই ডান্স প্লাটফর্মে গান পরিবর্তন করাকে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। চলে তাণ্ডব। ভাঙচুর করা হয় চেয়ার-টেবিল। মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় বিয়ে। 

বরযাত্রীদের দাবি, গান পরিবর্তন করতে চায়নি কনের বাড়ির লোকজন। গান পাল্টে দিলে এতকিছু হতই না। এদিকে কনের বাবা জাদুকর বেদ বলছেন, “আর্টিস্ট বেদ আমাদের বাড়িতে এসেছিল। বরযাত্রী আসার পর তাঁর ওপর হামলা হয়। আমি শুনছি তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। আমরা দোষীদের শাস্তি চাইছি। এই ঘটনার জন্য আমার মেয়ের বিয়েও বন্ধ হয়েছে।” একই কথা মৃতের মামা অবিনাশ বেদেরও। তাঁর অভিযোগ, বরযাত্রীর লোকেরাই হামলা চালায়। তাঁর ভাগ্নেকে গুলি করে খুন করা হয়। দোষীদের শাস্তির দাবি করছেন তিনিও।  

যদিও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃতের বুকে ক্ষতচিহ্ন দেখা গিয়েছে বলে খবর। যা দেখে মনে করা হচ্ছে গুলিবিদ্ধ হয়েই মৃত্যু। তবে ময়নাতদন্তের পরেই সঠিকভাবে জানা যাবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। এদিনই ধৃত তিনজনকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁদের ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তবে অভিযুক্তদের আইনজীবী পিন্টু কুমার রাম স্বীকার করে নিয়েছেন গুলি চালানোর কথা। তবে তাঁর মক্কেল গুলি চালায়নি বলে দাবি তাঁর।

দুর্গাপুর: বিয়েবাড়িতে এক্কেবারে ধুন্ধুমার কাণ্ড। বরপক্ষ ও কনেপক্ষের মধ্যে হাতাহাতিতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার ভ্যাম্বে কলোনি। ঝরল রক্ত। মৃত্যু হল মেয়ের বাড়ির এক যুবকের। উঠল খুনের অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত বন্ধই হয়ে গেল বিয়ের অনুষ্ঠান। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

মৃত যুবকের নাম আর্টিস্ট বেদ (১৮)। সে পাণ্ডবেশ্বর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকার অবস্থা থমথমে। এলাকায় মোতায়েন পুলিশ। শনিবার দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার ভ্যাম্বে কলোনিতে এই বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠান ছিল। আর যতকাণ্ড সেখানেই। স্থানীয় সূত্রে খবর, পশ্চিম বর্ধমানের বরাকর থেকে এসেছিল বরযাত্রীরা। তাঁরা আসার পরেই ডান্স প্লাটফর্মে গান পরিবর্তন করাকে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। চলে তাণ্ডব। ভাঙচুর করা হয় চেয়ার-টেবিল। মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় বিয়ে। 

বরযাত্রীদের দাবি, গান পরিবর্তন করতে চায়নি কনের বাড়ির লোকজন। গান পাল্টে দিলে এতকিছু হতই না। এদিকে কনের বাবা জাদুকর বেদ বলছেন, “আর্টিস্ট বেদ আমাদের বাড়িতে এসেছিল। বরযাত্রী আসার পর তাঁর ওপর হামলা হয়। আমি শুনছি তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। আমরা দোষীদের শাস্তি চাইছি। এই ঘটনার জন্য আমার মেয়ের বিয়েও বন্ধ হয়েছে।” একই কথা মৃতের মামা অবিনাশ বেদেরও। তাঁর অভিযোগ, বরযাত্রীর লোকেরাই হামলা চালায়। তাঁর ভাগ্নেকে গুলি করে খুন করা হয়। দোষীদের শাস্তির দাবি করছেন তিনিও।  

যদিও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃতের বুকে ক্ষতচিহ্ন দেখা গিয়েছে বলে খবর। যা দেখে মনে করা হচ্ছে গুলিবিদ্ধ হয়েই মৃত্যু। তবে ময়নাতদন্তের পরেই সঠিকভাবে জানা যাবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। এদিনই ধৃত তিনজনকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁদের ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তবে অভিযুক্তদের আইনজীবী পিন্টু কুমার রাম স্বীকার করে নিয়েছেন গুলি চালানোর কথা। তবে তাঁর মক্কেল গুলি চালায়নি বলে দাবি তাঁর।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us