Medinipur: ‘বলে গিয়েছিলেন যদি মরতেই হয়, তাহলে সেখানেই মরব…’, বারবার বারণ করা সত্ত্বেও কুম্ভে গিয়েছিলেন শালবনির বৃদ্ধা, সেখানেই শেষ সব…
Medinipur: বয়স হয়েছিল অনেকটাই। তাই মহাকুম্ভে যাওয়ার আগে বাড়ির বৌমারা একাধিকবার তাঁকে বারণ করেছিলেন। কিন্তু ১৪৪ বছর অন্তর মহাকুম্ভের মেলায় তাঁর যোগ দেওয়ার মারাত্মক ইচ্ছা ছিল।

মেদিনীপুর: মহাকুম্ভে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মেদিনীপুরের শালবনির এক বৃদ্ধার। মেয়ে-জামাইয়ের সঙ্গে পুণ্যস্নানে গিয়েছিলেন শালবনির গোদাপিয়াসাল সংলগ্ন কাছারি রোড এলাকার বাসিন্দা বছর আটাত্তরের উর্মিলা ভুঁইয়া। পদপিষ্টে মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধার। প্রয়াগরাজের মতিলাল নেহেরু মেডিক্যাল কলেজের মর্গে গিয়ে তাঁর দেহ শনাক্ত করেন নাতনি।
বয়স হয়েছিল অনেকটাই। তাই মহাকুম্ভে যাওয়ার আগে বাড়ির বৌমারা একাধিকবার তাঁকে বারণ করেছিলেন। কিন্তু ১৪৪ বছর অন্তর মহাকুম্ভের মেলায় তাঁর যোগ দেওয়ার মারাত্মক ইচ্ছা ছিল। কিন্তু তিনি বলে গিয়েছিলেন, যদি মৃত্যু হয়, তাহলে যেন সেখানেই হয়! এখন বউমারা সেটাই আক্ষেপ করে বলছেন, ‘মায়ের সেই কথাই যেন ফলে গেল।’
মৃতার নাতি বলেন, “আমার কাছে ভোরের দিকে খবর এসেছিল। আমাকে ফোনে বলা হয়, দিদিমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সবাই বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। আমার কাছে খবর আসে দুপুর দেড়টা নাগাদ।”
এক আত্মীয় বললেন, “জ্যেঠিমাকে অনেক বারণ করেছিলাম। জ্যেঠিমা বলেছিল, যদি মারা যাই, তো সেখানেই মরব। বারণ শুনলো না আমাদের।” এখনও দেহের ময়নাতদন্ত হয়নি। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। গ্রামের মৃত্যুর খবর আসতেই ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। ইতিমধ্যে প্রশাসনিক-শাসক নেতৃত্বের তরফে প্রতিনিধি দিয়ে দেখা করে এসেছেন মৃতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। তাঁদের পাশে থেকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।

