TMC councillor arrest: ‘অনুমতি নিয়ে এলাকায় ঢুকতে হবে’, পুলিশকে ধমকে গ্রেফতার TMC কাউন্সিলর
police threat controversy in Burdwan: গত ২৪ মার্চ বর্ধমানে পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বালামহাট এলাকায় বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ করা হয় শাসকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, বালামহাটের বাসিন্দা বিজেপি নেতা মহাদেব মাল বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রর সঙ্গে এলাকায় প্রচার করছিলেন।

বর্ধমান: একদিকে বিজেপি প্রার্থীদের খুনের চেষ্টার অভিযোগে রণক্ষেত্র জগদ্দল, গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর সহ ৪, তখন অন্যদিকে বিজেপি নেতার বাড়িতেই হামলার অভিযোগ। শুধু তাই নয়, হুঁশিয়ারি দিলেন পুলিশকেও। তাঁর অনুমতি নিয়েই নাকি পুলিশকে এলাকায় ঢুকতে হবে। পুলিশকে হুঁশিয়ারির পরই কমিশনের নির্দেশে গ্রেফতার বর্ধমান পৌরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ মার্চ বর্ধমানে পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বালামহাট এলাকায় বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ করা হয় শাসকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, বালামহাটের বাসিন্দা বিজেপি নেতা মহাদেব মাল বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রর সঙ্গে এলাকায় প্রচার করছিলেন।
শুধু তাই নয়, তিনি নিজের বাড়িতে বিজেপি কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করেন। এরপরই গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে দাবি। মহাদেব মালের অভিযোগ, “তৃণমূল সমর্থিত দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। হামলার ঘটনায় পরিবারে আতঙ্ক ছড়ায়।”
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বর্ধমান থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ঘটনাস্থলে আসেন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত। সেখানে এক পুলিশকর্মীর সঙ্গে তাঁর বচসা বাধে । কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত পুলিশকে ‘হুঁশিয়ারি’ দিতে দেখা যায়। এমনকি তাঁকে বলতে শোনা যায়, তাঁর অনুমতি নিয়েই এলাকায় পুলিশকে প্রবেশ করতে হবে। বিতর্ক দানা বাঁধে। গোটা বিষয়টি কমিশনেরও নজরে পড়ে। পরে কমিশনের নির্দেশে গ্রেফতার করা হয় ওই কাউন্সিলরকে। বিরোধীদের দাবি, এটি প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ এবং ‘দাদাগিরি’র প্রকাশ। নাড়ুগোপাল ভকতের বিরুদ্ধে সেসময় অভিযোগ দায়ের হয়।
তৃণমূল নেতা বাগবুল ইসলামের বক্তব্য, “নিশ্চিয় পরাজয় বুঝতে পেরেই বিজেপি মরিয়া হয়ে উঠেছে। এজেন্সি, কমিশনকে ব্যবহার করে বাংলায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে। পুলিশ, CRPF কে ব্যবহার করে TMC নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। নাড়ুগোপালের বিরুদ্ধে পুরনো একটা কেস ছিল। আদালত থেকে জামিনও নিয়েছিল। তারপরও গ্রেফতার।”
বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের বক্তব্য, “দাদাগিরি কোনওভাবেই কমিশন বরদাস্ত করছে না। যাঁরা এরকম করছেন, তাঁদের সবাইকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।”
