Purulia Medical College: সরকারি হাসপাতালে নোংরা, ড্রেনের জল, দেখেই সটান স্বাস্থ্য়মন্ত্রীকে ফোন জ্যোতির্ময়ের
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "ছবি ও ভিডিয়ো দেখে আমি নিজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। অধ্যক্ষ, MSVP ছিলেন না। ছজন নন মেডিক্যাল সুপারিটেনডেন্ট আছেন। তাঁদের উপর পরিচ্ছন্নতার দায়ভার থাকে। কেউ ডিউটিতে ছিলেন। আর এই ছুটি স্বাস্থ্যভবন থেকে মঞ্জুর করেননি। শোকজ করা হয়েছে। দ্রুত পরিষ্কার করে ছবি পাঠাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। সব পরিকাঠামো থাকার পরও আমাদের মাথা হেঁট হতে হল।"

পুরুলিয়া: বিজয়া দশমীর দিন হাসপাতালে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। রাতে এক পরিচিত ব্যক্তির বাবার মৃত্যুর ঘটনায় তিনি পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের শহর ক্যাম্পাসে যান। সেখানেই হাসপাতালের দশা দেখে ক্ষুব্ধ হন তিনি। নোংরা দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
যত্রতত্র নোংরা অপরিষ্কার দেখে তিনি হাসপাতালের সুপারকে ডেকে পাঠান। জানতে চান কেন এই অব্যবস্থা হাসপাতালের। এরপর সটান ফোন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। গোটা বিষয়টি স্বাস্থ্য়মন্ত্রীকে ফোনে জানান সাংসদ। বলেন, “এটা কী অবস্থা দেখেই কষ্ট হচ্ছে। আমি ছবি পাঠাচ্ছি আপনাকে।” ঘটনার পর পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ও সুপারকে শোকজ করা হয়েছে।
জ্যোতির্ময়ের অভিযোগ, কয়েকজন সরকারি কর্মী ইচ্ছাকৃতভাবে সরকারের বদনাম করার জন্য এই কাজ করছে। দরকারে তিনি নিজে হাসপাতাল পরিষ্কার করবেন বলেও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “অত্যন্ত অপরিষ্কার জায়গা। আসলে ইচ্ছাকৃতভাবে এইসব করছে। স্ট্রেচার পড়ে আসে ড্রেনে। যেদিকে দেখছি নোংরা জল। আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখলাম সরকার পয়সা দিচ্ছে, সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। সাধারণ জনগণের চোখে যাতে ছোট করা যায় সেই কারণেই কিছু অসাধু ব্যক্তিরা এই সব করছে।” অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ছবি ও ভিডিয়ো দেখে আমি নিজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। অধ্যক্ষ, MSVP ছিলেন না। ছজন নন মেডিক্যাল সুপারিটেনডেন্ট আছেন। তাঁদের উপর পরিচ্ছন্নতার দায়ভার থাকে। কেউ ডিউটিতে ছিলেন। আর এই ছুটি স্বাস্থ্যভবন থেকে মঞ্জুর করেননি। শোকজ করা হয়েছে। দ্রুত পরিষ্কার করে ছবি পাঠাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। সব পরিকাঠামো থাকার পরও আমাদের মাথা হেঁট হতে হল।”
