Congress leader Tapan kandu death: কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু খুনে মৃত্যু সুপারি কিলারের
Tapan kandu death: সিবিআই তদন্ত করার পর ২০২২সালের জুন মাসে আদালতে চার্জশিট জমা করে। সেখানে ৫ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে দেখানো হয়। দীপক কান্দু, কলেবর সিং,নরেন কান্দু,মহম্মদ আশিক ও সত্যবান প্রামাণিক।

পুরুলিয়া: কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু (Tapan Kandu) খুনে বড় ঘটনা। তপন কান্দু খুনের ঘটনায় যুক্ত সুপারি কিলার কলেবর সিংয়ের মৃত্যু। সোমবার সকালে পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁর দেহ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত হবে। তারপর পরিবারের হতে দেহ তুলে দেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত কলেবর সিংয়ের ঠাই হয়েছিল পুরুলিয়া জেলা সংশোধনাগারে। কয়েক বছর ধরেই তিনি নানা রকম অসুখে ভুগছিলেন। প্রায় ১০ মাস আগে তাকে পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের লোকজন মাঝে মধ্যেই জেলে এসে দেখা করতেন।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ১৩ই মার্চ সন্ধ্যা বেলায় বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে ছিলেন। সেই সময় দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হন ঝালদা ২ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু (Tapan Kandu)। রাজ্য জুড়ে আলোড়ন পরে যায়। এই ঘটনায় প্রথমে রাজ্যের তৈরি করা সিট ও পরে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআইয়ের হাতে মামলা যায়। রাজ্যের তৈরি করা সিটের হাতেই গ্রেফতার হন ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার জরিডি থানা এলাকার গাইচাঁদ গ্রামের বাসিন্দা এই কলেবর সিং।
সিবিআই তদন্ত করার পর ২০২২সালের জুন মাসে আদালতে চার্জশিট জমা করে। সেখানে ৫ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে দেখানো হয়। দীপক কান্দু, কলেবর সিং,নরেন কান্দু,মহম্মদ আশিক ও সত্যবান প্রামাণিক। বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন ২ জন অভিযুক্তের মৃত্যু হয়। এর আগে সত্যবান প্রামাণিক ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর অসুস্থ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে মারা যান। নরেন ও দীপক কান্দু হাইকোর্টের নির্দেশে জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
কলেবরের স্ত্রী প্রতিমা দেবী জানান, দীর্ঘদিন আগে সুগার আক্রান্ত হয়েছিলেন। অসুস্থ হওয়ার পর রাজ্যের একাধিক হাসপাতালেও তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বেশ কয়েক মাস ধরেই এই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হলেও জামিন হয়নি।পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ নেই
