
পুরুলিয়া: ঘোষণা হয়েছিল শেষ বাজেটে। ভোটের আগেই মাস্ট্রারস্ট্রোক। ফর্ম-ফিলাপ শেষে বাংলার বেকার যুবক-যুবতীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে যুবসাথীর দেড় হাজার টাকা। যদিও এই যুবসাথী নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের অন্ত নেই। তীব্র কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। চাকরির বদলে ভাতা দিয়ে ভোট কিনতে চাইছে সরকার, সুর চড়াচ্ছে সব বিরোধী দলই। চর্চা-তর্জায় ভেসে যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল। পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত উঠে আসছে যুব সমাজ থেকেও। লক্ষ লক্ষ আবেদনকারী থাকলেও এখনও সবার অ্যাকাউন্টে আসেনি টাকা। তা নিয়েও নানা মহল থেকে নানা মত উঠে আসছিল। যদিও কেন এমনটা হচ্ছে এদিন তার ব্যাখ্য়া দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রচারে গিয়ে ফের একবার রাজ্য সরকারের সমস্ত জনমুখী প্রকল্পের জয় গান শোনা গেল তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। তখনই বাংলার যুবদের প্রসঙ্গ উঠতেই আসে যুবসাথীর প্রসঙ্গ। খোঁচা দেন বিরোধীদের। বলেন, “ক্লাস নাইনে উঠলে বিনা পয়সায় সাইকেল দেয় সরকার। ক্লাস ইলেভেনে উঠলে বিনা পয়সায় স্মার্টফোন। তাছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১০ লক্ষ টাকার স্মার্ট কার্ড। যুবসাথী আমরা করেছি। এটা ভিক্ষা বা ভাতা নয়। ছেলেমেয়ারা যখন স্কুলের গণ্ডি পার করে কলেজে যায় তখন তাঁদের একটা পকেট মানি লাগে। এটা বলতে পারেন হাত খরচের মতো। তাঁদের জীবিকা আগামীতে হবে। যতদিন না চাকরি হচ্ছে তারা এটা পাবে। পকেট মানি হিসাবে এটা আমরা দিচ্ছি যাতে তাঁরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।”
কিন্তু যাঁরা আবেদন করেছেন কিন্তু এখনও টাকা ঢোকেনি তাঁদের ক্ষেত্রে কী হবে? মমতা যদিও বলছেন চিন্তার খুব একটা কারণ নেই। অভয়বার্তা দিয়ে তিনি বলছেন, “যাঁরা দরখাস্ত করেছেন কিন্তু এখনও কিছু পাননি তাদের ডুপ্লিকেট হয়ে গিয়েছে। আপনাদের ডেকে ডেকে সংশোধন করা হবে। আপনারাও পাবেন। চিন্তা করবেন না।”