Mobile Tower Installation: জমিতে মোবাইল টাওয়ার বসিয়ে মাসে মাসে মোটা আয়ের আশা! ১৩ লক্ষ জমা দিয়েও শেষে ভয়ঙ্কর পরিণতি অমিয়র
Mobile Tower Installation in West Bengal: এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি তাঁর ১৩ লক্ষ। প্রতারণার কথা বুঝতে পেরেই মাথায় হাত অমিয়র। তিনি চাইছেন প্রশাসন দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক। তিনি বলছেন, সামান্য জমি বিক্রি করে ওই টাকা দিয়েছিলাম। আজ আমি প্রতারণার শিকার।

সন্দেশখালি: জমিতে মোবাইলের টাওয়ার বসিয়ে পাকা আয়। মাসে মাসে ঢুকবে টাকা। মোটা আয়ের আশায় সেই ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্ব খোয়াতে বসলেন সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের সেহেরা রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা অমিয় মণ্ডল। ১৩ লক্ষ টাকা খুইয়ে শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। অভিযোগ, একটি চক্র তাঁকে বারবার ফোন করে জানায় খুব শীঘ্রই তাঁর জমিতে মোবাইল টাওয়ার বসানো হবে। কিন্তু এর জন্য আগাম কিছু টাকা জমা রাখতে হবে।
তাঁদের কথা শুনে বেচে দেন নিজের এক চিলতে জমি। তা বিক্রি করেই কখনও ৫০ হাজার, কখনও ৭৫ হাজার, ৮০ হাজার, ৯০ হাজার টাকা-সহ ধাপে ধাপে মোট ১৩ লক্ষ টাকা দেন অমিয়। এমনকি টাওয়ার বসানোর জন্য জমি পরিমাপ ও বিভিন্ন কাজও করা হয় বলে দাবি তাঁর। পরে আরও টাকার দাবি করা হলে কিছু যে একটা গণ্ডগোল হচ্ছে তা সন্দেহ করেন। ফলে আর টাকা দেননি। আর টাকা না দিতেই সুর বদলে যায় ওই চক্রের।
শেষে ন্যাজাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অমিয়। পাশাপাশি বসিরহাট সাইবার ক্রাইম থানাতেও অভিযোগ জানান তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি তাঁর ১৩ লক্ষ। প্রতারণার কথা বুঝতে পেরেই মাথায় হাত অমিয়র। তিনি চাইছেন প্রশাসন দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক। তিনি বলছেন, সামান্য জমি বিক্রি করে ওই টাকা দিয়েছিলাম। আজ আমি প্রতারণার শিকার। আগামী দিনে যাতে আর কোনও সাধারণ মানুষ এই ধরনের দালাল চক্রের ফাঁদে না পড়েন সেই ব্যবস্থা প্রশাসনকে করতে হবে।
