AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sonarpur Incident: গোপন ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল, ধর্ষণ! সোনারপুরে গ্রেফতার সরকারি অফিসার

Sonarpur News: কিন্তু এই অভিযুক্তের সঙ্গে কীভাবেই বা আলাপ নির্যাতিতার? পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে তাঁর বাবা অভিযুক্তের বাড়িতে পাইপলাইনের কিছু কাজে গিয়েছিলেন। সেই থেকেই দুই পরিবারের মধ্য়ে সখ্য ভাব তৈরি হয়। অভিযুক্তকে 'কাকু' বলে সম্বোধন করতেন নির্যাতিতা।

Sonarpur Incident: গোপন ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল, ধর্ষণ! সোনারপুরে গ্রেফতার সরকারি অফিসার
আর কী অভিযোগ নির্যাতিতার?Image Credit: নিজস্ব চিত্র
| Edited By: | Updated on: Jan 27, 2026 | 9:04 AM
Share

সোনারপুর: পারিবারিক বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নাবালিকাকে মাঝে মধ্যেই ঘুরতে নিয়ে যেতেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময়ই ধর্ষণ করা হয় তাঁকে। ফোনে তুলে রাখা হয় ওই পৈশাচিক মুহূর্তের ছবি-ভিডিয়ো। এই ঘটনা বেশ কয়েক বছর আগের। নাবালিকা এখন প্রাপ্ত বয়স্ক। সদ্যই বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু তাতেও বাধা হয়ে দাঁড়ান অভিযুক্ত। বিয়ে ভাঙতে ব্যবহার করেন সেই পুরনো ছবি-ভিডিয়োকে। এরপরই সোনারপুর থানায় দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার। দায়ের হয় ধর্ষণ ও হুমকির মামলা। কাঠগড়ায় ভূমি সংস্কার দফতরের এক আধিকারিক।

ঘটনা সোনারপুর এলাকার। সোমবার পুলিশ ভূমি সংস্কার দফতরের ওই অভিযুক্ত আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যেহেতু ধর্ষণের ঘটনার সময় অভিযোগকারী প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন না। তাই সেই ভিত্তিতে অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে পকসোর ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

কিন্তু এই অভিযুক্তের সঙ্গে কীভাবেই বা আলাপ নির্যাতিতার? পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে তাঁর বাবা অভিযুক্তের বাড়িতে পাইপলাইনের কিছু কাজে গিয়েছিলেন। সেই থেকেই দুই পরিবারের মধ্য়ে সখ্য ভাব তৈরি হয়। অভিযুক্তকে ‘কাকু’ বলে সম্বোধন করতেন নির্যাতিতা। মাঝে মধ্যেই কাকুর সঙ্গে ঘুরতেও বেরিয়ে পড়তেন তিনি। চেনা-জানা থাকা পরিবারের তরফ থেকেও কোনও বাধা তৈরি হয়নি।

অভিযোগ, এই সুযোগকেই কাজে লাগিয়েছিলেন ওই সরকারি আধিকারিক। ঘুরতে নিয়ে গিয়েই নাবালিকাকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। তুলে রাখেন ওই মুহূর্তের ছবি-ভিডিয়ো। এমনকি, মুখ খুললে তা সমাজমাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। ফলত চাপে পড়েই কাউকে কিছু জানাননি নাবালিকা। এই ভাবেই কেটে যায় কয়েক বছর। সম্প্রতি বিয়ে ঠিক হয়েছিল অভিযোগকারীর। তখনই অভিযুক্ত তাঁর হবু বরের বাড়িতে গিয়ে ছবি-ভিডিয়ো দেখিয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়, এমনকি হুমকিও দিয়ে আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অভিযুক্ত নিজে বিবাহিত, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভরা সংসার।

এদিন নির্যাতিতা বলেন, ‘উনি একবার নয়, একাধিকবার আমাকে ধর্ষণ করেছেন। আমার গোপন ছবি তুলে রেখে দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেলিং করা। ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে বারংবার হোটেলে নিয়ে গিয়েছেন। আমাকেও বাধ্য হয়ে, ভয়ে যেতে হয়েছে।’