Bhangar: ওষুধ দেওয়া থেকে চিকিৎসা, গ্রুপ ডি কর্মী যখন ‘ডাক্তার’!

Primary health centre: ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে ভাঙড় প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে গত পঞ্চায়েত ভোটে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেখানে অনেকটা জায়গাজুড়ে আছে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। আছে বিল্ডিং। তবে চারদিকে নোংরা আবর্জনা পড়ে রয়েছে। ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট না থাকলেও রোগীরা আসছেন।

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 04, 2026 | 8:33 AM

ভাঙড়: কারও জ্বর। কারও গ্যাসের সমস্যা। চিকিৎসার জন্য ছুটে এসেছেন। কিন্তু, ডাক্তার কই? না, ডাক্তারের দেখা নেই। তবে তাতে চিকিৎসা থমকে থাকছে না। তাহলে চিকিৎসা কে করছেন? কেন গ্রুপ ডি কর্মী আছেন তো। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। ওষুধ দেওয়া থেকে চিকিৎসা করা, সবটাই করছেন গ্রুপ ডি কর্মী। বড় কোনও সমস্যায় পড়লে অবশ্য গ্রুপ ডি কর্মী দ্বারস্থ হচ্ছেন চিকিৎসকের। তবে আসছেন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। তিনি অ্যালোপ্যাথি ওষুধ দিচ্ছেন। এমনই ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।

ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে ভাঙড় প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে গত পঞ্চায়েত ভোটে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেখানে অনেকটা জায়গাজুড়ে আছে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। আছে বিল্ডিং। তবে চারদিকে নোংরা আবর্জনা পড়ে রয়েছে। ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট না থাকলেও রোগীরা আসছেন। ওষুধও পাচ্ছেন। ওষুধ দিচ্ছেন একজন গ্রুপ ডি স্টাফ। আপনি ওষুধ দিতে পারেন?  সাংবাদিকের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, “ক্যামেরা বন্ধ করুন। সব বলছি।” ওষুধ দেওয়া, চিকিৎসা করা, রেজিস্ট্রার মেনটেন, সবই করতে হয় গ্রুপ ডি কর্মীকে।

তবে বড় কিছু হলে পাশের একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে ডাকা হয়। গতকালই রাস্তায় হঠাৎ একজন বালক খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিল। তড়িঘড়ি তাকে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনা হয়। গ্রুপ ডি কর্মী এসে দেখলেন। সাংবাদিকদের ক্যামেরা বন্ধ করতে বললেন। এরপর পাশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে ডেকে আনা হল। হোমিওপ্যাথি ওই মহিলা চিকিৎসক বললেন, “আমাকে মাঝে মধ্যে ওই হাসপাতালে ডাকা হয়। আমি দ্বিতীয় মেডিক্যাল অফিসার।”

কী চলছে ভাঙড়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে?

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক না-থাকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রোগীরা। বললেন, “১০টা ওষুধ বললে ২টা দিচ্ছে। আবার ডাক্তারও নেই।” কেউ বললেন, অ্যালোপ্যাথি ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। বাধ্য হয়ে হোমিওপ্যাথি ডাক্তার দেখালেন। তবে তাঁদের মধ্যেই কেউ বললেন, হোমিপ্যাথি চিকিৎসায় ভালো ফল পেয়েছেন। কিন্তু, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কেন কোনও চিকিৎসক নেই, সেই প্রশ্ন উঠছে। এই নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব মুখ খুলতে নারাজ। 

ভাঙড়: কারও জ্বর। কারও গ্যাসের সমস্যা। চিকিৎসার জন্য ছুটে এসেছেন। কিন্তু, ডাক্তার কই? না, ডাক্তারের দেখা নেই। তবে তাতে চিকিৎসা থমকে থাকছে না। তাহলে চিকিৎসা কে করছেন? কেন গ্রুপ ডি কর্মী আছেন তো। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। ওষুধ দেওয়া থেকে চিকিৎসা করা, সবটাই করছেন গ্রুপ ডি কর্মী। বড় কোনও সমস্যায় পড়লে অবশ্য গ্রুপ ডি কর্মী দ্বারস্থ হচ্ছেন চিকিৎসকের। তবে আসছেন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। তিনি অ্যালোপ্যাথি ওষুধ দিচ্ছেন। এমনই ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।

ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে ভাঙড় প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে গত পঞ্চায়েত ভোটে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেখানে অনেকটা জায়গাজুড়ে আছে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। আছে বিল্ডিং। তবে চারদিকে নোংরা আবর্জনা পড়ে রয়েছে। ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট না থাকলেও রোগীরা আসছেন। ওষুধও পাচ্ছেন। ওষুধ দিচ্ছেন একজন গ্রুপ ডি স্টাফ। আপনি ওষুধ দিতে পারেন?  সাংবাদিকের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, “ক্যামেরা বন্ধ করুন। সব বলছি।” ওষুধ দেওয়া, চিকিৎসা করা, রেজিস্ট্রার মেনটেন, সবই করতে হয় গ্রুপ ডি কর্মীকে।

তবে বড় কিছু হলে পাশের একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে ডাকা হয়। গতকালই রাস্তায় হঠাৎ একজন বালক খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিল। তড়িঘড়ি তাকে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনা হয়। গ্রুপ ডি কর্মী এসে দেখলেন। সাংবাদিকদের ক্যামেরা বন্ধ করতে বললেন। এরপর পাশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে ডেকে আনা হল। হোমিওপ্যাথি ওই মহিলা চিকিৎসক বললেন, “আমাকে মাঝে মধ্যে ওই হাসপাতালে ডাকা হয়। আমি দ্বিতীয় মেডিক্যাল অফিসার।”

কী চলছে ভাঙড়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে?

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক না-থাকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রোগীরা। বললেন, “১০টা ওষুধ বললে ২টা দিচ্ছে। আবার ডাক্তারও নেই।” কেউ বললেন, অ্যালোপ্যাথি ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। বাধ্য হয়ে হোমিওপ্যাথি ডাক্তার দেখালেন। তবে তাঁদের মধ্যেই কেউ বললেন, হোমিপ্যাথি চিকিৎসায় ভালো ফল পেয়েছেন। কিন্তু, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কেন কোনও চিকিৎসক নেই, সেই প্রশ্ন উঠছে। এই নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব মুখ খুলতে নারাজ।