Allegations of Illegal TMC Party Offices: সরকারি সম্পত্তি দখল করে একের পর এক পার্টি অফিস? চাপ বাড়ছে শওকতের
Shawkat Mollah Government Land Controversy: ক্যানিং-২ পঞ্চায়েত সমিতির চত্বরেই পাশাপাশি দুটি পার্টি অফিস। এছাড়াও জীবনতলা, মৌখালি, কালিকাতলা, ঝোড়োর মোড় সহ একাধিক জায়গায় ছিল বেশ কিছু পার্টি অফিস। একসময় এই অফিসগুলিতে সারাদিনই ছিল নেতা-কর্মীদের আনাগোনা।

ক্যানিং: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্বে সরকারি জমি ও সরকারি দফতরের চত্বরে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক পার্টি অফিস তৈরির অভিযোগকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগের তির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রভাবশালী নেতা শওকত মোল্লার দিকে। তৃণমূল বিরোধীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সম্পত্তি দখল করে এই অফিসগুলি তৈরি করা হয়েছিল।
ক্যানিং-২ পঞ্চায়েত সমিতির চত্বরেই পাশাপাশি দুটি পার্টি অফিস। এছাড়াও জীবনতলা, মৌখালি, কালিকাতলা, ঝোড়োর মোড় সহ একাধিক জায়গায় ছিল বেশ কিছু পার্টি অফিস। একসময় এই অফিসগুলিতে সারাদিনই ছিল নেতা-কর্মীদের আনাগোনা। আধুনিক সাজসজ্জায় তৈরি এই অফিসগুলিকে অনেকেই ‘কর্পোরেট পার্টি অফিস’ বলেও কটাক্ষ করতেন।
তবে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। অফিসগুলিতে এখন ঝুলছে পর্দা, কার্যত জনশূন্য হয়ে পড়ে রয়েছে একসময়কার ব্যস্ত রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলি। অভিযোগ, প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার প্রভাবেই সরকারি জায়গা ব্যবহার করে এই পার্টি অফিসগুলি তৈরি করা হয়েছিল।
অন্যদিকে জীননতলা বাজার সংলগ্ন একটি পার্টি অফিসের চরিত্র সম্প্রতি বদলানো হয়েছে বলে দাবি শওকত বিরোধী প্রাক্তন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ থেকে শুরু করে আইএসএফ ক্যানিং ২ ব্লক সভাপতি আসরাফ আলী মোল্লা, বিজেপি নেতা অলিরুল পিয়াদারও। তাঁদের সাফ কথা, সরকারি সম্পত্তি কোনও রাজনৈতিক দলের দখলে থাকা উচিত নয়। সেই জায়গাগুলি জনগণের স্বার্থে এবং সরকারি কাজে ব্যবহার করা হোক বলেই মনে করছেন তাঁরা।
বিজেপির জেলা সম্পাদক সুমন হালদার বলছেন, “শওকত মোল্লা একজন রেজিস্ট্রার্ড ক্রিমিন্যাল। ও নিজের প্রভাব খাটিয়ে ক্যানিং পূর্বে বহু সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল করেছেন। পার্টি অফিস তৈরি করেছেন। নিজেও সেখানেও বসতেন। থানার সামনেও তো দলীয় পার্টি তৈরি করেছিলেন।”
