Theft: একদিনে ১৪টি বাড়িতে চুরি, CCTV-তে ধরা পড়ল সবটা

Theft in several houses: স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, যেসব বাড়িতে কেউ থাকছে না, সেই বাড়িতেই চুরি হচ্ছে। এলাকারই কেউ চোরেদের সেই তথ্য দিচ্ছে বলে তাঁদের সন্দেহ। এক মহিলা জানান, "আমি বাড়ি ছিলাম না। এসে দেখি, গেটের তালা ভাঙা। এভাবে চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছি।" স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পুলিশি টহল বাড়ানো হোক ও দ্রুত চোরদের গ্রেফতার করা হোক।

Theft: একদিনে ১৪টি বাড়িতে চুরি, CCTV-তে ধরা পড়ল সবটা
সামনে এসেছে চুরির সিসিটিভি ফুটেজImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 18, 2026 | 10:40 AM

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বাড়িতে তালা দেওয়া। কেউ নেই। সেই সুযোগে একদিনে ১৪টি বাড়িতে চুরি। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কালীতলা আসুতি থানা এলাকায়। একদিনে পরপর চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কয়েক লক্ষ টাকা চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে চুরির ঘটনা ধরা পড়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কালীতলা আসুতি থানার পুলিশ।

বিষ্ণুপুর বিধানসভার অন্তর্গত কালীতলা আসুতি থানার প্লাজা অঞ্চলে চোরেদের তাণ্ডবে নাজেহাল বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, আগে এই এলাকায় এরকম চুরির ঘটনা ঘটেনি। এখন চোরের উপদ্রব বেড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই এলাকায় চোরদের তাণ্ডব অব্যাহত। বাড়িতে কেউ না থাকার সুয়োগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে নগদ টাকা, গয়না ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে চম্পট দিচ্ছে।

একটি বাড়ি থেকে প্রায় চার লক্ষ টাকা চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া একটি অফিস থেকে প্রায় এক লক্ষ টাকা উধাও হয়েছে। অন্য আর একটি বাড়ি থেকে রুপোর গয়না সহ নগদ আড়াই হাজার টাকা চুরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, সিসিটিভি ক্যামেরায় চুরির কিছু ফুটেজ ধরা পড়েছে। একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, চোর একটি অফিসে ঢুকে বিভিন্ন জিনিসপত্র ঘেঁটে দেখছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, যেসব বাড়িতে কেউ থাকছে না, সেই বাড়িতেই চুরি হচ্ছে। এলাকারই কেউ চোরেদের সেই তথ্য দিচ্ছে বলে তাঁদের সন্দেহ। এক মহিলা জানান, “আমি বাড়ি ছিলাম না। এসে দেখি, গেটের তালা ভাঙা। এভাবে চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছি।” স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পুলিশি টহল বাড়ানো হোক ও দ্রুত চোরদের গ্রেফতার করা হোক।

ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ যৌথ স্বাক্ষর সংগ্রহ করে স্থানীয় কালীতলা আসুতি থানায় একটি পিটিশন জমা দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে। এবং রাতেও এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ।