AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Social Media Post: ঢুকছে টাকা, পুজোর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট করে অশান্তি লাগানোর চেষ্টা! বাংলাদেশের যোগও আছে?

Arrest over Social Media Post: তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সম্প্রতি দেশজুড়ে সরকারের বিরুদ্ধে ভুয়ো ভিডিয়ো ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে যে বিশাল চক্রের হদিশ মিলেছে, তার সঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুরের ধৃত তিন জনেরও যোগ থাকতে পারে। এই যোগসূত্র এবং বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Social Media Post: ঢুকছে টাকা, পুজোর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট করে অশান্তি লাগানোর চেষ্টা! বাংলাদেশের যোগও আছে?
ধৃত তিন যুবক।Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: Oct 20, 2026 | 11:15 PM
Share

বালুরঘাট: সোশ্যাল মিডিয়াই এদের হাতিয়ার। নানা ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়াই এদের কাজ। তবে খেলা বেশিদূর এগোল না, তার আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল। কী করছিল ওই যুবকরা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিয়ো ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বাড়ি কুমারগঞ্জে এবং একজনের গঙ্গারামপুরে। গতকাল কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ গঙ্গারামপুরের কালদিঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের সঙ্গে বাংলাদেশ লিঙ্ক ও বিদেশি অর্থের যোগ থাকতে পারে বলেও প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম রেহান সরকার (২৭) ও সুমন রায়(২৮) ও সিদ্দিক আলী মিঞার(৩২)। রেহান ও সুমনের বাড়ি জেলার কুমারগঞ্জ থানা এলাকায়। সিদ্দিকের বাড়ি গঙ্গারামপুরে। ধৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো আইডি তৈরি করে, সেগুলির মাধ্যমে নানা ধরনের ভুয়ো খবর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিলেন তাঁরা। ভুয়ো খবর ছড়ানোর পাশাপাশি  বিদেশি অর্থায়নের যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সম্প্রতি দেশজুড়ে সরকারের বিরুদ্ধে ভুয়ো ভিডিয়ো ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে যে বিশাল চক্রের হদিশ মিলেছে, তার সঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুরের ধৃত তিন জনেরও যোগ থাকতে পারে। এই যোগসূত্র এবং বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আজ, মঙ্গলবার ধৃত তিনজনকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে তোলে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলেও পুলিশ জানিয়েছে। এই নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করলেন জেলা পুলিশ সুপার অভিষেক গুপ্তা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিএসপি হেড কোয়ার্টার অঙ্কুর সিংহ রায়, কুমারগঞ্জের আইসি আশিস কুন্ডু সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা।

দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিশ সুপার  অভিষেক গুপ্তা বলেন, “গত ১৯ তারিখ আমরা একজনের কাছ থেকে অভিযোগ পাই যে কিছু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। উৎসবের মরশুমে সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তের পর আমরা বিএনএস ও আইটি অ্যাক্টে মামলা করি। জানতে পারি কিছু ফেসবুক পেজ ও হ্যান্ডেল থেকে এখানকার স্থানীয় কিছু বাসিন্দা এই কাজ করছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারি যে এদের একটা নেটওয়ার্ক আছে। কিছু দেশের বাইরেও লিঙ্ক রয়েছে। আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছি। কোনও ছবি বা ভিডিয়োকে মর্ফ করে বা বিকৃত করে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর নেটওয়ার্ক চলছিল। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।”

Follow Us