Train Blockage: ষষ্ঠীর সকালে তুমুল যাত্রী বিক্ষোভ, আটকে থাকল বন্দে ভারত! কী নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ল যাত্রীরা?
Kamarkundu Station: পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, "বিবেক এক্সপ্রেস দেরিতে চলছিল। আমাদের জোনে যখন ঢোকে তখনও লেট ছিল। কামারকুণ্ডু স্টেশনে যখন ট্রেনটি দাঁড়ায়, তখন যাত্রীরা একটু ক্ষোভ দেখান। এখন ঠিক হয়ে গিয়েছে।"

হুগলি: ষষ্ঠীর সকালে চরম রেল বিভ্রাট। হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে কামারকুণ্ডু স্টেশনে তুমুল যাত্রী বিক্ষোভ। প্রায় এক ঘন্টা দাড়িয়ে রইল আপ হাওড়া-গয়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপ( ২২৫০৩) কন্যাকুমারী-ডিব্রুগড় বিবেক এক্সপ্রেস অত্যাধিক দেরিতে চলছে। গতকাল বিকেলে কামারকুণ্ডু স্টেশনে ঢোকার বদলে আজ সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ ট্রেনটি কামারকুণ্ডুতে পৌঁছায়। এরপরেও ট্রেনটি কামারকুণ্ডু স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
তারপরেই কন্যাকুমারী-ডিব্রুগড় এক্সপ্রেসের যাত্রীরা স্টেশনে নেমে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। লাইনের উপর দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ চলে। আপ ২২৩০৩ হাওড়া-গয়া বন্দে ভারত দাঁড় করিয়ে দেয় যাত্রীরা।
বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রেল পুলিশ ও আধিকারিকরা উপস্থিত হন। তারপরও প্রায় ১ ঘণ্টা চলে বিক্ষোভ। এরপর যাত্রীদের অনেক বুঝিয়ে রাত ৮টা নাগাদ আপ কন্যাকুমারী-ডিব্রুগড় এক্সপ্রেসকে রওনা করানো হয়।তারপর ৮.০৪ মিনিটে হাওড়া- গয়া বন্দে ভারত রওনা দেয়।
পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, “বিবেক এক্সপ্রেস দেরিতে চলছিল। আমাদের জোনে যখন ঢোকে তখনও লেট ছিল। কামারকুণ্ডু স্টেশনে যখন ট্রেনটি দাঁড়ায়, তখন যাত্রীরা একটু ক্ষোভ দেখান। এখন ঠিক হয়ে গিয়েছে।”
অন্যদিকে এই আপ কন্যাকুমারী-ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস লেট থাকার কারণে এবং যাত্রী পরিষেবার অভিযোগে ট্রেন থেকে নেমে যেতে বাধ্য হন একটি পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, ডানকুনি থেকে উঠে ট্রেনের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য কামারকুণ্ডুতে নেমে যেতে হয়। এই ট্রেনেই ডানকুনি থেকে এনজিপি অব্দি এস-৪ (S-4) কোচে রিজার্ভেশন টিকিট কাটা ছিল তাঁদের। বেড়াতে না গিয়ে বাধ্য হয়েই কামারকুণ্ডুতে নেমে বাড়ি ফিরে যান তাঁরা।
যাত্রী নেমে যাওয়ার বিষয়ে সিপিআরও (CPRO)-কে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
