
রায়গঞ্জ: বর্ষবরণের রাতে তৃণমূল নেতার মৃত্যু। রায়গঞ্জে যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি তথা জেলার জনপ্রিয় যুবনেতা নবেন্দু ঘোষের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, নিজের বাড়ির পাশেই মোহনবাটি বাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পিকনিকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বর্ষবরণের রাত। তাই সবার সঙ্গে গল্পে মেতেছিলেন। তার মধ্যেই ঘটে যায় অঘটন। তাঁর বুকে গুলি লাগে।
গুরুতর আহত অবস্থায় নবেন্দুকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সেই মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে ছিলেন না তাঁর রাজনৈতিক দলের কোনও সঙ্গী। মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। মেডিক্যাল কলেজ চত্বর এবং মোহনবাটি বাজার সংলগ্ন এলাকা ঘিরে ফেলে ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন মৃত ওই যুবনেতার বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের সমস্ত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, যাঁরা নবেন্দুকে গুলি করে, তারাই নিয়ে যায় হাসপাতালে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, বর্ষবরণের সেলিব্রেশন চলাকালীন গুলি চালানো হয়। অসংলগ্ন অবস্থায় গুলি চালানো হলে, সেই গুলি গিয়ে লাগে নবেন্দুর বুকে। তাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। নবেন্দুর সঙ্গে ধৃতদের কোনও পুরনো শত্রুতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চলছে খোঁজ।