
কাবুল: একদিকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে সঙ্কটে রয়েছে পাকিস্তান। অর্থনীতিতে বড় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তারই মধ্যে বিমান হামলা অব্যাহত রাখল ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের এয়ারস্ট্রাইকে হাসপাতালে ঝলসে মৃত্যু চিকিৎসক সহ অন্তত ৪০০ জনের। আহত হয়েছেন ২৫০-র বেশি মানুষ। সোমবার রাতে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। পরপর বিস্ফোরণে কার্যত জ্বলতে থাকে হাসপাতাল।
আফগানিস্তানের কাবুলে একটি হাসপাতালে ওই এয়ারস্ট্রাইক চালানো হয় বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। আফগান ইতিহাসে এত বড় হামলা আগে কখনও হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে। এর আগে ২০২১-এ কাবুল এয়ারপোর্টে আত্মঘাতী হামলায় ১৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
গত মাস থেকে ফের নতুন করে শুরু হয়েছে সংঘাত। বারবার সীমান্ত পার করে হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান। হাসপাতালে হামলার কথা অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। তাদের দাবি, হাসপাতাল নয়, সামরিক ঘাঁটি, যাকে তারা জঙ্গি ঘাঁটি বলে উল্লেখ করেছে, সেখানেই চালানো হয়েছে এই হামলা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশারফ জাইদি কাবুলের দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছেন।
আফগানিস্তান সরকারের অন্যতম মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত এক্স মাধ্যমে পোস্ট করে হামলার খবর জানিয়েছেন। তিনি জানান, সোমবার রাত ৯টা নাগাদ ওই হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, ওই হাসপাতালে ২০০০ জনের চিকিৎসার বন্দোবস্ত রয়েছে। সেখানেই অন্তত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৫০ জন আহত। আগুন নিভিয়ে দেহ উদ্ধারে কাজ করছে উদ্ধারকারী দল।
এর আগে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কান্দাহার বিমানবন্দর, পাক্তিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং রাজধানী কাবুলের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা চালানো হয়েছে কান্দাহার শহরের তালিবানের আল-বদর কর্পসের সদর দফতরেও।