AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bangladesh: কলকাতায় প্রতিবাদ হতেই ভয় পেয়ে গেল বাংলাদেশ, সুরক্ষা কীভাবে দিতে হয় ইউনুসকে বুঝিয়ে দিল ভারত

Bangladesh: এদিন বাংলাদেশ উপদূতাবাসের নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজরদারি করবেন।

Bangladesh: কলকাতায় প্রতিবাদ হতেই ভয় পেয়ে গেল বাংলাদেশ, সুরক্ষা কীভাবে দিতে হয় ইউনুসকে বুঝিয়ে দিল ভারত
বাংলাদেশের বার্তার আগেই উপদূতাবাসের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ভারত
| Updated on: Nov 29, 2024 | 10:10 PM
Share

ঢাকা: বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশকে। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ফের বার্তা দিয়েছে ভারত। শুক্রবার নয়াদিল্লির এই কড়া বার্তার পর কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসে এক অভিযান নিয়ে বিবৃতি দিল বাংলাদেশ সরকার। উপদূতাবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতকে বার্তা দিল ইউনুস সরকার। তবে বাংলাদেশ সরকারের এই বিবৃতির আগেই উপদূতাবাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে। দিল্লিতেও বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রতিবাদে গতকাল কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাস অভিযানের ডাক দিয়েছিল ‘বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’। গতকালের সেই মিছিলের পর এদিন বাংলাদেশ উপদূতাবাসের নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজরদারি করবেন। এছাড়াও থাকবেন ২ জন ইন্সপেক্টর। ৬ জন করে এএসআই এবং এসআই পদমর্যাদার অফিসার থাকবেন। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে ৩০ জন লাঠিধারী কনস্টেবল থাকবেন উপদূতাবাসের বাইরে।

কলকাতার পাশাপাশি দিল্লিতেও বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বারবার ভারত বার্তা পাঠালেও ইউনুস সরকার তা নিশ্চিত করতে পারছে না। এদিনও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত সরকার বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। আমরা লাগাতার বাংলাদেশে আইন শৃঙ্খলার বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতের অবস্থান খুব পরিষ্কার। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকেই। নিরাপত্তার দায়িত্বও নিতে হবে।”

কূটনৈতিক মহল বলছে, ভারতের কড়া বার্তার পর কার্যত ভয় পেয়ে কলকাতায় শান্তিপূর্ণ অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে আনছে ইউনুস সরকার। কলকাতায় উপদূতাবাস ও বাংলাদেশের অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের কর্মীদের নিরাপত্তার বার্তা পাঠিয়েছে ইউনুস সরকার। কিন্তু, বাংলাদেশের বার্তার আগেই ভারত নিরাপত্তা আরও বাড়িয়েছে। নিরাপত্তা কীভাবে দিতে হয়, সেই বার্তা দিল বাংলাদেশকে।