AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

চিনের পেট ভর্তি চোরা বুদ্ধি! এমন চাল দিল, নাকানি-চোবানি খাচ্ছে আমেরিকাও

China: কিছুদিন আগে জাপানের ইকোসুকা বন্দরে গোপনে নোঙর করে আমেরিকার ‘সি-উল‌্ফ’ ক্লাসের একটা নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। কেউ এই খবর জানত না। চিনা প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা তাদের তৈরি নয়া প্রযুক্তির সাহায্যে এই মার্কিন জাহাজকে শনাক্ত করার কথা বলেছেন।

চিনের পেট ভর্তি চোরা বুদ্ধি! এমন চাল দিল, নাকানি-চোবানি খাচ্ছে আমেরিকাও
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Pixabay
| Updated on: Feb 13, 2025 | 3:12 PM
Share

ফের একবার আমেরিকাকে টেক্কা দিতে চলেছে চিন। আর চিনের দাবি যদি, যা বলা হচ্ছে, ঠিক সেটাই হয়, তাহলে কী হবে ভেবে ঘুম ছুটেছে আমেরিকার। দেখুন, কোনও যুদ্ধবিমান বা ডুবোজাহাজ কতটা ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে, সেটা যেমন জরুরি। তেমনই জরুরি সেগুলো শত্রুর চোখকে কতটা ফাঁকি দিতে পারে, সেটা। এক্ষেত্রে, বিমান কিংবা জাহাজে ব্যবহার করা হয় স্টেলথ প্রযুক্তি। যা রেডার ও সনার-কে বোকা বানাতে পারে।

আমেরিকার পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজগুলো আবার এ বিষয়ে সেরা। জলে একবার ডুব দিলে দুনিয়ার কারও সাধ্যি নেই তাদের খুঁজে বের করা। শত্রুর অজান্তেই তার ঘরের একদম পাশে চলে এসে মারার ক্ষমতা রাখে এগুলো। চিনের দাবি, তারা জলের নীচে এই মার্কিন নিউক্লিয়ার সাবমেরিন খুঁজে বের করার প্রযুক্তি আবিষ্কার করে ফেলেছে। চিনা প্রতিরক্ষা গবেষকরা বলছেন জলের নীচে ডুবোজাহাজ যখন এগোয় তখন তার সামনে একটা ভি আকৃতির মতো এলাকাজুড়ে চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়। তাঁদের তৈরি বিশেষ ডিভাইস এই চৌম্বকীয় ক্ষেত্রকে শনাক্ত করতে পারে। শুধু সেটাই নয়, লুকিয়ে থাকা ডুবোজাহাজের আয়তন এবং গতিও বলে দিতে পারে।

কিছুদিন আগে জাপানের ইকোসুকা বন্দরে গোপনে নোঙর করে আমেরিকার ‘সি-উল‌্ফ’ ক্লাসের একটা নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। কেউ এই খবর জানত না। চিনা প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা তাদের তৈরি নয়া প্রযুক্তির সাহায্যে এই মার্কিন জাহাজকে শনাক্ত করার কথা বলেছেন।

সবকিছু গুছিয়ে লিখে নামকরা এক পিয়ার-রিভিউ জার্নালে প্রবন্ধও ছাপিয়ে দিয়েছেন। আর তাতে আমেরিকার একেবারে হাটে হাঁড়ি ভেঙে গিয়েছে। পেন্টাগন স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে তারা সত্যিই গোপনে জাপান সাগরে ডুবোজাহাজ পাঠিয়েছিল। চিনের এই সাফল্যে চিন্তার বিষয় হল, এবার ভারত মহাসাগরে ড্রাগনের দাদাগিরি বেড়ে যাবে না তো। আর আমেরিকা ভাবছে, এইবার গোটা প্যাসিফিকই না তাদের হাতছাড়া হয়ে যায়। সত্যি বলতে কী লালফৌজের নৌ-সেনা দিনে দিনে যেভাবে শক্তি বাড়াচ্ছে তাতে তাইওয়ান-সহ গোটা পশ্চিমী দুনিয়াই সিঁদুরে মেঘ দেখছে।

Follow Us