e

ওয়াশিংটন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার বিল গেটস। এপস্টিন ফাইল থেকে প্রকাশিত হওয়া নথিতে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কিত নথি বা এপস্টিন ফাইলে এর আগে প্রকাশিত হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কিত কিছু বিতর্কিত তথ্য। মহিলাদের সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি ভুয়ো বলে দাবি করা হয়েছিল মার্কিন প্রশাসনের তরফে। আর এবার মাইক্রোসফট কর্তা বিল গেটসের যৌন জীবন নিয়ে সামনে এল বিতর্কিত তথ্য।
মার্কিন বিচার বিভাগের তরফে সদ্য প্রকাশ হওয়া এপস্টিন ফাইলে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ান মহিলাদের শয্যাসঙ্গিনী হিসেবে পাওয়ার পর বিল গেটস ‘সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ’ তথা যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
শুক্রবার মার্কিন বিচার বিভাগের তরফে কয়েক হাজার নথি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৩ সালে এপস্টিনের লেখা ইমেইলও ছিল তাঁর মধ্যে। সেই ইমেইলেই বিল গেটস সম্পর্কে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়নি।
অভিযোগ সামনে আসার পর বিল গেটসের তরফে পুরোটাই অস্বীকার করা হয়েছে। বিল গেটসের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘এই অভিযোগ পুরোপুরি অসত্য ও অবাস্তব। এটা এপস্টিনের হতাশা প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়।’ ৩০ লক্ষের বেশি পাতার নথি প্রকাশ করা হয়েছে বিচার বিভাগের তরফে। রয়েছে ২০০০ ভিডিয়ো ও ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি।
নথিতে দেখা যাচ্ছে, এপস্টিন দাবি করেছেন বিল গেটস রুশ মহিলাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, যৌনরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর গোপনে তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকী এই সংক্রান্ত ইমেইল এপস্টিনকে ডিলিট করার আর্জি জানিয়েছেন বলেও অভিযোগ বিল গেটসের বিরুদ্ধে।
বিল গেটসের সঙ্গে একসময় সুসম্পর্ক ছিল এপস্টিনের। সেইসময়কার বেশ কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে ওই নথিতে। একসঙ্গে এপস্টিন ও গেটসের ছবি দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। একসময় বিল গেটস এপস্টিনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জন্য আফশোস করেছিলেন। ২০১৯-এ নিউ ইয়র্কের জেলে আত্মঘাতী হয়েছিলেন এপস্টিন। উল্লেখ্য, এপস্টিনের সঙ্গে বিল গেটসের সম্পর্ক যে বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ, সে কথা আগেই বলেছিলেন মাইক্রোসফট কর্তার প্রাক্তন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস।