AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bangladesh: উপদেষ্টা থেকে বিদেশমন্ত্রী হয়েই খলিলুরের মুখে ‘রেডলাইন’-র কথা, কী বুঝে নেবেন বললেন?

Bangladesh External Minister Khalilur Rahman: বাংলাদেশের প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে যেমন বিদেশনীতি ছিল, তাঁর পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বধীন সরকারও সেই বিদেশনীতিতেই ফিরে যাবে বলে জানান খলিলুর রহমান। উদাহরণ দেন রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য নির্বাচিত হওয়া, সার্কের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বশান্তি রক্ষায় আল কুদস কমিটিতে বাংলাদেশের ভূমিকার।

Bangladesh: উপদেষ্টা থেকে বিদেশমন্ত্রী হয়েই খলিলুরের মুখে 'রেডলাইন'-র কথা, কী বুঝে নেবেন বললেন?
খলিলুর রহমান।Image Credit: X
| Updated on: Feb 19, 2026 | 7:17 AM
Share

ঢাকা: বাংলাদেশে এখন বিএনপির সরকার। প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। তিনিই সাজিয়েছেন মন্ত্রিসভা। যারা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন, অধিকাংশই নতুন মুখ। তবে একজন বিশেষ নজর কেড়েছেন। তিনি হলেন খলিলুর রহমান (Khalilur Rahman)। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী করা হয়েছে তাঁকে। তিনিই একমাত্র মন্ত্রী, যিনি আগের মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারেও উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁকে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী করা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা জল্পনা, গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তার মাঝেই বড় মন্তব্য খলিলুর রহমানের। বাংলাদেশের বিদেশনীতি কেমন হবে, তা আগেই বলে দিলেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খলিলুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের বিদেশনীতির মূল ভিত্তি হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। দেশের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে রক্ষা করে বিদেশনীতি ও যাবতীয় কাজ চলবে। জাতীয় স্বার্থ পই পই করে বুঝে নেওয়া হবে।”

বিদেশনীতি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ হবে, এ কথা বলেছেন তারেক রহমানও। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনেই বিদেশমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিভিন্ন ভাষণে বারবার একটি কথা বলেছেন, তা হলো সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের নীতির লক্ষ্য হবে বাংলাদেশ ফার্স্ট। আমাদের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে রক্ষা করে আমাদের বিদেশ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড চালাব। এ ক্ষেত্রে যে মূল নীতি থাকবে, তা হল সার্বভৌমত্ব, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা, কারও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, জাতীয় মর্যাদা এবং পারস্পরিক সুবিধা। আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ পই পই করে বুঝে নেব। এটা আমাদের রেডলাইন।”

বাংলাদেশের প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে যেমন বিদেশনীতি ছিল, তাঁর পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বধীন সরকারও সেই বিদেশনীতিতেই ফিরে যাবে বলে জানান খলিলুর রহমান। উদাহরণ দেন রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য নির্বাচিত হওয়া, সার্কের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বশান্তি রক্ষায় আল কুদস কমিটিতে বাংলাদেশের ভূমিকার। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারে আমরা সেটাই চেষ্টা করেছি”।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবে মায়ানমারের ওপর যে নজর ছিল, তা কোনওভাবে কমবে না, বরং বাড়বে। মায়ানমার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। সমস্যা সমাধানের চেষ্টা থাকবে।

আগের অন্তর্বর্তী সরকারে ছিলেন, নির্বাচনে রেফারির ভূমিকায় ছিলেন। সেখান থেকে বিএনপি-র মন্ত্রী। কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের প্রসঙ্গ উঠতেই খলিলুর রহমান বলেন, “অনেকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলছে। তার মানে গণনা ঠিক হয়নি। তাই তো। এটা বলছে তো! গুণে নেন আরেকবার। গুনতে তো মুশকিল নাই।”

এদিকে নির্বাচনের আগে যেখানে বিএনপি একাধিক উপদেষ্টাকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল এবং তাতে খলিলুর রহমানের নামও ছিল, সেখান থেকে কীভাবে তিনি বিএনপি সরকারেরই এত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হয়ে গেলেন, সেই প্রশ্ন উঠতেই খলিলুর রহমান বলেন, “আচ্ছা, আমি তো জোর করে যাইনি। একেকজনের একেকজন সম্পর্কে প্রাথমিক একটা ধারণা থাকতে পারে। সেটা পরিবর্তনও হয়।”

সংবাদমাধ্যমকেও দায়িত্বশীল থাকার কথা বলেন নতুন বিদেশমন্ত্রী। মনে করিয়ে দেন, বিদেশনীতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটা কথা এদিক-ওদিক হলে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে।