Muhammad Yunus: মানলেন না শিষ্টাচারটুকুও! ভাষা দিবসেও এভাবে অপমান করলেন ইউনূস
International Language Day: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বেরিয়ে যাওয়ার প্রায় ৭ মিনিট পর শহিদ মিনারে আসেন ইউনূস এবং শহিদদের শ্রদ্ধা জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জল্পনা-চর্চা শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টাতেই ইউনূসের এমন কাজ বলে মনে করছেন সকলে।

ঢাকা: আজ আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস। ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েও রীতি ভাঙলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন থাকাকালীন তিনি শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে গেলেন না ইউনূস। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ভাষা দিবসে প্রতি বছরই ঢাকার শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি। গত বছর পর্যন্তও একই সঙ্গে শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। ক্ষমতার পালা বদলের পর এটি প্রথম একুশে ফেব্ররুয়ারি। আর প্রথমবারেই ভাষা দিবসের রীতি মানলেন না ইউনূস। রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন যখন ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, সেই সময়ে ঢাকার শহিদ মিনার চত্বরেই উপস্থিত ছিলেন না অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বেরিয়ে যাওয়ার প্রায় ৭ মিনিট পর শহিদ মিনারে আসেন ইউনূস এবং শহিদদের শ্রদ্ধা জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জল্পনা-চর্চা শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টাতেই ইউনূসের এমন কাজ বলে মনে করছেন সকলে। রাষ্ট্রপতির প্রতি অনাস্থা দেখাতেই তিনি ভাষা দিবসের শিষ্টাচার ভাঙলেন তিনি। এই নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
#WatchNow: নৈরাজ্যের বাংলাদেশে ভাষা দিবসে মানা হল না শিষ্টাচার। ভাষা দিবসের রীতি ভাঙলেন মহম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন ঢাকায় শহিদ মিনারে এলেনই না ইউনূস।
সব খবর: https://t.co/zS5Is2Kr34 #MuhammadYunus | #Bangladesh | #InternationalMotherLanguageDay pic.twitter.com/5VubCEd9QQ
— TV9 Bangla (@Tv9_Bangla) February 21, 2025
শুধু ইউনূস নন, শহিদ মিনারে রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর সঙ্গে কোনও উপদেষ্টাও সৌজন্য বিনিময় করেননি বলেই দাবি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
উল্লেখ্য, লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি চুপ্পু। আওয়ামি লীগ সরকারের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় তাঁকে শহিদ মিনারে না যাওয়ার জন্য ব্যাপক ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। তারপরও তিনি রীতি মেনে শ্রদ্ধা জানাতে যান। নিরাপত্তা থাকায় কোনও অপ্রীতিকর অবস্থা তৈরি হয়নি।
প্রসঙ্গত, মাতৃভাষা বাংলার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই ১৯৫২ সালে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল ভাষা আন্দোলন। আজকের দিনে, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনরত ছাত্র ও সমাজ কর্মীদের উপর নির্মমভাবে গুলি চালায় পুলিশ। মাতৃভাষার জন্য লড়াই করতে গিয়ে শহিদ হন রফিক, সালাম, আব্দুল, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত-সহ অনেকে। তাদের এই লড়াই, মাতৃভাষার প্রতি ভালবাসা ও ত্য়াগকে সম্মান জানিয়েই ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালে বাংলাদেশের প্রস্তাবে আজকের দিনটি মাতৃভাষা দিবস হিসাবে গৃহীত হয়।

