Nepal Flash Flood: বিপর্যয় পিছু ছাড়ছে না নেপালের! আবারও হড়পা বান, হুড়মুড়িয়ে নামছে স্রোত, কী অবস্থা সেখানে?
Nepal Disaster: এবার বুধি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বান নেমেছে। শনিবার নেপালে কোথাও তেমন বৃষ্টি হয়নি। আবহাওয়া শুকনোই ছিল। নদীতেও জলস্তর স্বাভাবিক ছিল। তার মধ্যে হঠাৎ স্থানীয় বাসিন্দারা লক্ষ্য করেন, পাহাড় থেতে বিপুল জলস্রোত নেমে আসছে।

কাঠমাণ্ডু: নেপালে আবার বিপর্যয়। ফের নামল হড়পা বান। বৃষ্টি নেই, তবু আগ্রাসী বানে ভেসে গেল বাড়ি, গাড়ি। ভেঙে যায় একাধিক সেতুও। গত ২৬ অগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভোটেকোশী নদীতে হড়পা বানের জেরে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। ঘরছাড়া হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। সেই ধাক্কা সহ্য করে ওঠার আগেই আবার বিপর্যয়।
জানা গিয়েছে, এবার বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বান নেমেছে। নেপালে কোথাও তেমন বৃষ্টি হয়নি। আবহাওয়া শুকনোই ছিল। নদীতেও জলস্তর স্বাভাবিক ছিল। আজ, রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে হঠাৎ স্থানীয় বাসিন্দারা লক্ষ্য করেন, পাহাড় থেতে বিপুল জলস্রোত নেমে আসছে। নিমেষেই আশেপাশের সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করে ওই জলস্রোত।
फेरी बुढीगण्डकीमा बाढी ! के हुँदैछ देशमा ? खरानेहरुले देशको सह जलाएकै हुन् त ? क्षमापूजा नगरी नहुने भयो जस्तो छ छिमेकी अंकलले भने जस्तै ! https://t.co/ggZY15Y52M
— स्वारी ;)) (@ptkums) October 11, 2026
পরে জানা যায়, বুধি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বান নেমেছে। ওই জলস্রোতেই নদীর পাড়ে অবস্থিত বাড়িঘর ভেসে যায়। হড়পা বানের প্রবল জলস্রোতে ভেসে যেতে দেখা যায় একটি সেতুও।
A bridge swept away by massive flash floods in Nepal https://t.co/BLzGCgWntv
— Surajit (@surajit_ghosh2) October 11, 2026
কেন হড়পা বান এল?
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধস নেমে গত রাতে একটি অস্থায়ী লেক তৈরি হয়। আজ ভোরে জলের চাপে অস্থায়ী লেক ফেটে হড়পা বান নামে। মূলত নেপালের গোরখা অঞ্চলে পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে।
নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (National Disaster Risk Reduction & Management Authority) তরফেও হড়পা বান ও তার জেরে প্রভাবিত অঞ্চলের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
#WATCH | Nepal’s National Disaster Risk Reduction & Management Authority releases aerial pictures of flood-affected areas in Gorkha.
(Source: NDRRMA) https://t.co/QPe6slfD69
— ANI (@ANI) October 11, 2026
কোথায়, কত ক্ষয়ক্ষতি?
হড়পা বানের জেরে বর্তমানে গোর্খা, ধাদিং, চিতোয়ান, তানাহুনের নদী-পাড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নদী-পাড় থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নেপাল প্রশাসন। গোর্খা জেলার সালেরি অঞ্চল সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।
হড়পা বানে এখনও ৩৫টি বাড়ি ভেসে গিয়েছে। ১টি লোহার ব্রিজ, ২টি সাসপেনশন ব্রিজ ভেঙেছে। বুড়ি গণ্ডকি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারে হেলিকপ্টার নামিয়েছে নেপাল প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর নেই।
