AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Earliest ancestors of humans: প্যাঁকাল মাছের মতো দেখতে প্রাণীটি থেকেই তৈরি হয়েছে মানুষ! জানুন কীভাবে?

Earliest ancestors of humans: ১৮৯০ সালে স্কটল্যান্ডে আবিষ্কার হয় ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস গুন্নির’ জীবাশ্ম। মাত্র ২ ইঞ্চি লম্বা জীবাশ্ম। ওই জীবাশ্মর মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চারটি বাহু রয়েছে তার।

Earliest ancestors of humans: প্যাঁকাল মাছের মতো দেখতে প্রাণীটি থেকেই তৈরি হয়েছে মানুষ! জানুন কীভাবে?
মানুষের উৎপত্তির রহস্য: ফাইল চিত্র
| Edited By: | Updated on: Jun 21, 2022 | 1:27 PM
Share

৩৯ কোটি বছর আগের কথা। ভূতত্ত্ববিদরা ওই সময়টিকে ‘ডেভনিয়ান পিরিয়ড’ বলে অভিহিত করেন। প্রায় ৪১.৯২ কোটি বছর থেকে ৩৫.৮৯ কোটি বছরের মাঝামাঝি। এই সময় না ছিল মানুষ, না ছিল গাছ। কিন্তু সে সময় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মাছেরা। নানা প্রজাতির। তাই এই সময়টিকে ‘এজ অব ফিসেস’ও বলা হয়ে থাকে। যে সব প্রজাতির জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব মিলেছে সেই সময়, তার মধ্যে অন্যতম ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস গুন্নি’ (Palaeospondylus gunni)। দেখতে খানিকটা প্যাঁকাল মাছের মতো! বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই প্রাণীটি মনুষ্য জাতির পূর্বসূরি। স্বভাবতই এই প্রাণীটিকে নিয়ে কৌতূহল অনেক বেশি মনুষ্য জগতে।

১৮৯০ সালে স্কটল্যান্ডে আবিষ্কার হয় ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস গুন্নির’ জীবাশ্ম। মাত্র ২ ইঞ্চি লম্বা জীবাশ্ম। ওই জীবাশ্মর মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চারটি বাহু রয়েছে তার। তাই এই প্রাণীটি চারপেয়ে জীবদের বংশধর বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ভার্টেব্রেটস বিবর্তনের ‘মিসিং লিঙ্ক’ হিসাবে কাজ করতে পারে জীবাশ্মটি। ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাসের’ মাত্র ২ ইঞ্চির জীবাশ্ম মেলায়, ১৩০ বছর পরও সম্পূর্ণ কঙ্কাল তৈরি করতে অক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে সম্প্রতি, জাপানের রিকেন ক্লাস্টার ফর পায়োনিয়ারিং রিসার্চ আরও একধাপ এগোতে পেরেছে তাদের গবেষণায়। নেচার জার্নালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস গুন্নির’ একটি চোয়াল ও চারটি বাহু খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। প্যাঁকাল মাছের মতো দেখতে, চ্যাপটা মাথার ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস’ অতল সমুদ্রে থাকত এবং গাছের পাতা, জৈবিক বর্জ্য খেত তারা।

সত্যিই কি মনুষ্য জাতির পূর্বসূরি? বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস’ প্রথম প্রজাতি যারা চারটে বাহুর উপর ভর করে ডাঙায় উঠে আসে। তারপর আস্তে আস্তে ওই বাহুগুলি স্থল-পরিবেশে অভিযোজিত হতে শুরু করে। স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস’ প্রজাতির অন্তর্গত বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষও সেই তালিকায় রয়েছে।

দ্য স্কটসম্যান সংবাদপত্রকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টোকিয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তসুয়া হিরাসওয়া জানান, মধ্য ডেভনিয়ান পিরিয়ডে ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস গুন্নি’ এমন একটি চমৎকার জীবাশ্ম, যা জীবের বিবর্তনের নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। ১৩০ বছর আগে এই জীবাশ্ম আবিষ্কার না হলে ফাইলোজেনেটিক পজিশন সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা অধরা থাকত। জীবের বাহুর বিবর্তন সম্পর্কেও নতুন দিশা দেখাচ্ছে এই ‘প্যালাইওস্পন্ডিলাস’ জীবাশ্ম।